শুক্রবার, ডিসেম্বর ৪

ঢাবির বাজেট গবেষণা পরিপন্থী : ছাত্র ফ্রন্ট

এখানে শেয়ার বোতাম

ঢাবি প্রতিনিধি:: সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন সুজন ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব কান্তি রায় এক যুক্ত বিবৃতির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের উত্থাপিত বাজেটকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উক্ত বাজেটকে শিক্ষা ও গবেষণা পরিপন্থী বাজেট হিসেবে অভিহিত করেছেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, “এবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেটেও উপেক্ষিত হয়েছে গবেষণাখাত। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে গবেষণাখাতে মোট বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০ কোটি ৯১ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের ৪ দশমিক ৭ শতাংশ, ২০১৯-২০ অর্থবছরে যা ছিল মোট বাজেটের ৫ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট বাজেটের ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অর্থাৎ বাজেটের কলেবর বাড়লেও প্রতিবছর কমছে গবেষণা খাতে বরাদ্দের পরিমাণ। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের চরিত্রের সাথে সাংঘর্ষিক। এব্যপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য মুহম্মদ সামাদ বলেছেন ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় না বাড়ানোর কারণেই গবেষণা খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না’।”

নেতৃবৃন্দ বলেন, “এ ধরণের মন্তব্য গবেষণায় রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদাসীনতাকে আড়াল করে উল্টো নিজস্ব আয়ের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থাকে নামে-বেনামে বিভিন্ন ফি হাতিয়ে নেয়ার সুযোগকে প্রসারিত করছে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন কোভিড বৈশ্বিক মহামারীর কারণে গৃহীত অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের জন্যও বরাদ্দ নেই বাজেটে। প্রথম আলোর একটি জরিপ বলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থীই অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হতে পারছেনা যার বড় কারণ হচ্ছে ডিভাইস এবং ডাটা কেনার সামর্থ্য নেই অধিকাংশরই। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদেরকে সহায়তা দেয়ার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়নি। এছাড়াও তীব্র আবাসন সংকট থাকা সত্ত্বেও উপেক্ষা করে হয়েছে আবাসনখাতকেও”।

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে এই বাজেট সংশোধন করে গবেষণাখাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ, অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে বিশেষ বরাদ্দ সহ সর্বপরি শিক্ষা ও গবেষণা বান্ধব বাজেট প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।


এখানে শেয়ার বোতাম