সোমবার, মার্চ ৮
শীর্ষ সংবাদ

ডেঙ্গুর সংক্রমণকে মহামারি ঘোষণার দাবি জানিয়েছে গণসংহতি

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: অবিলম্বে ডেঙ্গুর সংক্রমণকে মহামারি ঘোষণা করে এর নিয়ন্ত্রণে সরকারের সকল সংস্থাকে কাজে লাগানোর দাবি জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন। আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি এ দাবি করেন।

‘ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ও বন্যা পরিস্থিতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বানভাসি মানুষের জন্য বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমকে শক্তিশালী করারও তাগিদ দেন তিনি।

সাকি বলেন, ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার সরকারের সার্বিক গাফিলতি ও দুর্নীতির ফল। ডেঙ্গু যে এ বছর বাড়বে, সরকারের স্বাস্থ্য অধিদফতরেরই এ পূর্বাভাস ছিল। ফলে আগেই ব্যবস্থা না নেয়াটা বিশাল দায়িত্বহীনতার পরিচয়। এরপর কীটনাশক ও ওষুধ ক্রয়ে দুর্নীতি ঘটেছে। পরিস্থিতি নাগালের বাইরে যাওয়ার পরই, অনেক প্রাণহানি ও জনবিক্ষোভের পর সরকারের টনক নড়েছে। কিন্তু আমরা দেখেছি সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশবাসীকে এমন দুর্যোগের ভেতরে রেখে সপরিবারে বিদেশ ভ্রমণ করছেন। অন্য যেকোনো সভ্য দেশে এমন পরিস্থিতিতে কর্তব্যে অবহেলা, দুনীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং অযোগ্যতার দায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও মেয়রদের পদত্যাগ করতে হতো।

জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, সারাদেশে যে পৌরসভার কর্মীরা মশা নিয়ন্ত্রণের কাজ করবেন, তারা আজ ১৯ দিন ধরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তাদের ন্যায্য পেশাগত দাবিতে অবস্থান করছেন। তাদের দাবি নিয়ে কোনো সাড়া না দিয়ে সরকার কার্যত গোটা দেশে এডিস মশার বিস্তারের বন্দোবস্ত করছে। তিনি অবিলম্বে পৌরসভার কর্মীদের ন্যায্য দাবি মেনে নিয়ে তাদের মশক দমনে নিয়োগ করার দাবি জানান।

তিনি বলেন, এডিস নিয়ন্ত্রণে জনগণের অংশগ্রহণ, বিশেষ করে তরুণদের যুক্ত করাটা জরুরি। গণসংহতি আন্দোলন ঢাকার উত্তরা, মোহাম্মদপুর ও মিরপুর অঞ্চলে সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।

বন্যার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জোনায়েদ সাকি বলেন, এবারের বন্যায় দেশের এক-তৃতীয়াংশ ডুবে গেলেও ত্রাণ কার্যক্রম ইতিহাসের অপ্রতুলতম। এখন বন্যার পানি সরে গেলেও মানুষজন বন্যা-পরবর্তী রোগ, কর্মসংস্থানহীনতা ও ফসলহানির শিকার। তাদের দুর্ভোগ থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ কার্যক্রম শুরুর দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল। এ সময় রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া, মনির উদ্দীন পাপ্পু, জুলহাসনাইন বাবু, কেন্দ্রীয় সদস্য দীপক রায় ও কেন্দ্রীয় সংগঠক বেলায়েত শিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


এখানে শেয়ার বোতাম