মঙ্গলবার, মার্চ ২
শীর্ষ সংবাদ

জাবিতে এবার সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করলো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

এখানে শেয়ার বোতাম

জাবি প্রতিনিধি :: জাহাঙ্গীরগনর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কোন ধরনের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থানরত কোনাে শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে এসে সভা-সমাবেশ, মিছিল কিংবা কোন অফিস বা আবাসিক এলাকায় অবস্থান করতে পারবে না। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রভোস্ট কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সিন্ডিকেটের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘােষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হলসমূহ ত্যাগ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরের দোকানপাটও বন্ধ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করেন, এই সময়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে কোনাে শিক্ষার্থীর অবস্থান সমীচীন নয়।

ক্যাম্পাসে যে কোন ধরণের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধের প্রসঙ্গে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থানরত কোন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে এসে সভা সমাবেশ, মিছিল কিংবা কোনাে অফিস বা আবাসিক এলাকায় অবস্থান করতে পারবে না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এদিকে আজ বুধবার রাত ৯টার দিকেও বিক্ষোভ মিছিল বের করেছে আন্দোলনকারীরা। এর আগে তারা উপাচার্য ফারজানা ইসলামের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয়।

প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন,‘সাড়ে ৩টার মধ্যে হল খালি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরপরেও যারা হলে অবস্থান করবে তাদের বিরুদ্ধে যেকোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নেওয়া হবে।’

এছাড়া একটি নির্ভরযোগ্য প্রশাসনিক সূত্র হতে জানা যায় রাত্রে আবাসিক হল গুলোতে তল্লাশী (রেইড) করা হতে পারে।

এদিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগরের অন্যতম ছাত্রসংগঠক নজির আমিন জয় বলেন,‘আমরা প্রশাসনের হল ভ্যাকেন্ট এর সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করেছি। আন্দোলনকারীরা সকলেই এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করে রাত্রে হলে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এর আগে বিকাল সাড়ে ৩টার মধ্যে ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীসহ সব শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছিল প্রশাসন। এরমধ্যে হল না ছাড়তে আইনি ব্যবস্থাও নেয়া হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। তবে এই নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, ভিসির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তাই তার অপসারণের জন্য আমরা সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানিয়েছি। কিন্তু উপাচার্যে নিজেও পদত্যাগ করছেন না। তাকে সরানোও হচ্ছে না।

তারা বলেন, এ অবস্থায় জাহাঙ্গীরনগরকে দুর্নীতিমুক্ত করতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার আশঙ্কা করছি আমরা।

আন্দোলনকারী এক শিক্ষক বলেন, ‘আমরা শঙ্কার মধ্যে আছি। যে প্রশাসন ছাত্রলীগ দিয়ে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছে তারা পুলিশ দিয়ে নিজেদের বেষ্টিত করে রেখেছে। যেকোনো সময় তারা হামলাও চালাতে পারে।’

এর আগে সাড়ে ৪টার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানেই অবস্থান নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।জিজ
জাহাঙ্গীরগনর বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কোন ধরনের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থানরত কোনাে শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে এসে সভা-সমাবেশ, মিছিল কিংবা কোন অফিস বা আবাসিক এলাকায় অবস্থান করতে পারবে না। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রভোস্ট কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সিন্ডিকেটের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘােষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হলসমূহ ত্যাগ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরের দোকানপাটও বন্ধ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করেন, এই সময়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে কোনাে শিক্ষার্থীর অবস্থান সমীচীন নয়।

ক্যাম্পাসে যে কোন ধরণের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধের প্রসঙ্গে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থানরত কোন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে এসে সভা সমাবেশ, মিছিল কিংবা কোনাে অফিস বা আবাসিক এলাকায় অবস্থান করতে পারবে না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এদিকে আজ বুধবার রাত ৯টার দিকেও বিক্ষোভ মিছিল বের করেছে আন্দোলনকারীরা। এর আগে তারা উপাচার্য ফারজানা ইসলামের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয়।

প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন,‘সাড়ে ৩টার মধ্যে হল খালি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরপরেও যারা হলে অবস্থান করবে তাদের বিরুদ্ধে যেকোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নেওয়া হবে।’

এছাড়া একটি নির্ভরযোগ্য প্রশাসনিক সূত্র হতে জানা যায় রাত্রে আবাসিক হল গুলোতে তল্লাশী (রেইড) করা হতে পারে।

এদিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগরের অন্যতম ছাত্রসংগঠক নজির আমিন জয় বলেন,‘আমরা প্রশাসনের হল ভ্যাকেন্ট এর সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করেছি। আন্দোলনকারীরা সকলেই এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করে রাত্রে হলে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এর আগে বিকাল সাড়ে ৩টার মধ্যে ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীসহ সব শিক্ষার্থীদের হল ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছিল প্রশাসন। এরমধ্যে হল না ছাড়তে আইনি ব্যবস্থাও নেয়া হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। তবে এই নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, ভিসির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তাই তার অপসারণের জন্য আমরা সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানিয়েছি। কিন্তু উপাচার্যে নিজেও পদত্যাগ করছেন না। তাকে সরানোও হচ্ছে না।

তারা বলেন, এ অবস্থায় জাহাঙ্গীরনগরকে দুর্নীতিমুক্ত করতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার আশঙ্কা করছি আমরা।

আন্দোলনকারী এক শিক্ষক বলেন, ‘আমরা শঙ্কার মধ্যে আছি। যে প্রশাসন ছাত্রলীগ দিয়ে আমাদের ওপর হামলা করিয়েছে তারা পুলিশ দিয়ে নিজেদের বেষ্টিত করে রেখেছে। যেকোনো সময় তারা হামলাও চালাতে পারে।’

এর আগে সাড়ে ৪টার বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানেই অবস্থান নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।


এখানে শেয়ার বোতাম