মঙ্গলবার, জানুয়ারি ১৯

চীন বলছে ‘আমেরিকান বসন্ত’, ইরান বলছে ‘সামরিক আইন’

এখানে শেয়ার বোতাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: পুলিশের হাতে কৃষাঙ্গ আমেরিকানের মৃত্যুর পর যুক্তরাষ্ট্রে চলমান বিক্ষোভের সুযোগে যুক্তরাষ্ট্রকে একহাত নিয়েছে চীন ও ইরান।

বিক্ষোভকে ‘আমেরিকান বসন্ত’ বলছে চীনের সোশ্যাল মিডিয়া। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে জারি করা কারফিউকে ‘সামরিক আইন’ হিসেবে উল্লেখ করেছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় পুলিশের নির্যাতনে জর্জ ফ্লয়েড নামে এক কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যুর ঘটনায় দেশটির বেশিরভাগ এলাকাতেই এখন চলছে ব্যাপক সহিংস বিক্ষোভ। বিক্ষোভ থামাতে ২৬টি রাজ্যের অন্তত ৪০টি শহরে জারি হয়েছে কারফিউ।

ক্ষোভের ঢিল পড়েছে হোয়াইট হাউজেও। স্থানীয় সময় শুক্রবার ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্টের দপ্তরের সামনে ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা জড়ো হলে প্রায় এক ঘন্টা বাংকারে লুকিয়ে থাকতে হয় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, বাঙ্কার থেকে বেরোনোর পরও নাকি ভয় পিছু ছাড়ছিলো না ট্রাম্পের।

বিক্ষোভ সামলাতে যুক্তরাষ্ট্র যখন টালমাটাল, সেই সুযোগে একহাত নিয়েছে মার্কিনবিরোধী শিবিরের দুই দেশ – চীন ও ইরান।

পুলিশি নির্যাতনে ফ্লয়েডের মৃত্যর বিচার দাবিতে চলমান এই বিক্ষোভ ‘আমেরিকান স্প্রিং‘ বা আমেরিকান বসন্ত নামে প্রচার হচ্ছে চীনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাউ লিজিয়ান বলেন, “কালোদের জীবনেরও দাম আছে এবং তাদেরও মানবাধিকার রক্ষা করতে হবে। মার্কিনিদের এটি বুঝতে হবে। বর্ণবৈষম্য দেশটিতে চিরন্তন অসুখে পরিণত হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি এটা দেখিয়ে দিচ্ছে এখনি এর বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।”

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে জারি করা কারফিউকে ইরানের একাধিক গণমাধ্যমে মার্শাল ল বা সামরিক আইন বলে বর্ণনা করা হয়েছে। ইরানের প্রধান একটি দৈনিক কিহানের শিরোনাম ছিল, ২৫টি আমেরিকান শহরে সামরিক আইন জারি। ওয়াতান ই এমরুত নামে আরেক দৈনিকে লেখা হয়েছে, “আমেরিকা এখন সামরিক বুটের নিচে”।


এখানে শেয়ার বোতাম