রবিবার, মার্চ ৭
শীর্ষ সংবাদ

চামড়া সিন্ডিকেটকারীদের শাস্তির দাবীতে বাসদের বিক্ষোভ

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: রাষ্ট্র এখন হরিলুট ব্যবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে। এখানে সিন্ডিকেটের কারণে কৃষক ধানের ন্যায্য দাম পায় না, কোরবানীর পশুর চামড়ার দাম জনগণ পায় না, সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়ে। এমনকি ডেঙ্গু মশার ওষুধ ক্রয়ে দুই কোম্পানি সিন্ডিকেট করে রাষ্ট্রীয় অর্থ লুট করছে।

আজ বুধবার বাসদ ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ কর্মসূচিতে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

সরকার নির্ধারিত রেটের তোয়াক্কা না করে, সিন্ডিকেট করে পানির দামে চামড়া বিক্রি করতে জনগণকে বাধ্য করার প্রতিবাদে এবং চামড়া সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ঢাকাসহ কর্মসূচি পালিত হয়।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন ও সমাবেশে মহানগর শাখার আহ্বায়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ সভাপতিত্ব করেন। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন বাসদ ঢাকা নগরের সদস্য সচিব জুলফিকার আলী, সদস্য খালেকুজ্জামান লিপন, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বুলবুল, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি ইমরান হাবিব রুমন, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শম্পা বসু।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আর্থিক ও ব্যাংক খাতে সিন্ডিকেটের লুটপাট চলছে। আর এসব সিন্ডিকেটের পাহারাদার এবং আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে রাষ্ট্র ও সরকার। বলা হচ্ছে সারা বিশ্বে চামড়ার দাম কমছে। আবার বলছে চামড়া যেন ভারতে পাচার না হয় সেজন্য বিজিবি সতর্ক আছে? একই সাথে ঘোষণা দিল সরকার যে কাঁচা চামড়া ও ওয়েট ব্লু চামড়া রফতানি করা যাবে। এতে করে চামড়া ভারতে পাচার হবে।

তারা বলেন, যেহেতু বর্তমান সরকার ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় এসেছে, ফলে জনগণের প্রতি তারা কোনো দায় অনুভব করছে না। তাই জনগণের রাষ্ট্র ও সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লড়াই-সংগ্রামে সকলকে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান বাসদ নেতৃবৃন্দ।

তারা আরো বলেন, দাম না পেয়ে ক্ষোভে দুঃখে অনেক স্থানে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলেছে। আমাদের দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দাম নির্ধারণ করে দিয়ে তাদের দায়িত্ব শেষ করেছে। সাধারণ জনগণ যাতে নির্ধারিত দাম পায় সে ক্ষেত্রে তাদের বাজার তদারকির কোনো ব্যবস্থা নেই। অপরদিকে কতভাবে ব্যবসায়ীরা সুবিধা পেতে পারে সরকার তার সকল আয়োজন নিশ্চিত করে। ব্যবসায়ীদের খেলাপী ঋণের সুদ মওকুফ করা হচ্ছে, ১০ বছরের জন্য অবলোপন করা হয় ঋণ। আর কৃষকের মাত্র ৫০০ কোটি টাকা কৃষি ঋণের কারণে তাদের নামে সার্টিফিকেট মামলা দিয়ে কোমরে দড়ি দিয়ে গ্রেফতার করা হয়।


এখানে শেয়ার বোতাম