মঙ্গলবার, মে ১১
শীর্ষ সংবাদ

চতুর্দিকে ভীতি-শঙ্কা-অনিশ্চয়তা: মির্জা ফখরুল

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চতুর্দিকে একটা অনিশ্চয়তা, একটা অস্থিতিশীলতা, একটা ভীতি, একটা শঙ্কা কাজ করছে।

সবার প্রতি আহ্বান রেখে তিনি বলেন, একটি সুস্থ অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য আসুন সবাই মিলে কাজ করি। স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর দেশের এই চিত্র আশা করিনি। এই এজন্য অস্ত্র তুলে নিয়ে যুদ্ধ করিনি। এখনও স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারিনি।

মঙ্গলবার রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি মিলনায়তনে জিয়া শিশু একাডেমির উদ্যোগে ১১তম জাতীয় শিশু শিল্পী প্রতিযোগিতা ‘শাপলাকুঁড়ি-২০১৯’ এর প্রাথমিক নির্বাচনের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনদিনের এই প্রাথমিক নির্বাচনে সারাদেশ থেকে ২২ হাজারের অধিক শিশু-কিশোর শিল্পীরা কেরাত, আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে।

দেশে শিশু নির্যাতনের কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, যখনই খবরের কাগজ খুলি অথবা টেলিভিশনে খবর শুনি তখন হতাশ হই, কষ্ট পাই। আজকে শিশুরা পর্যন্ত ঘৃণা অথবা সন্ত্রাসের শিকার হচ্ছে। শিশুরা অহরহ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, হত্যার শিকার হচ্ছে। একটা ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশু তাকে কি করে হত্যা করা যায়, কী করে নির্যাতন করা যায়- এটা বোধগম্য হয় না।

তিনি বলেন, কোন সমাজ নির্মাণ করছি, যে সমাজে ফুলের মতো শিশুদেরকে ভালোবাসতে পারি না, শিশুদের জন্যে সুন্দর ভবিষ্যৎ তৈরি করে দিতে পারি না। যেখানে শিশুরা মানুষকে ভালোবাসবে, পরস্পর পরস্পরকে ভালোবাসবে, দেশকে ভালোবাসকে, তার মাটিকে ভালোবাসবে-এমন সমাজ তৈরি করতে পারছি না।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সম্পর্কে উপস্থিত শিশু-কিশোরদের কাছে বক্তব্য তুলে ধরে দলটির মহাসচিব বলেন, শিশুরা তোমরা জানো- জিয়াউর রহমান কে ছিলেন? আজকে তো তার সম্পর্কে অনেক বিকৃত- খারাপ কথা শিশুদের শুনতে হয়- সেটা সঠিক নয়। জিয়া হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করছিলেন এবং নিজে যুদ্ধ করেছিলেন।

তিনি বলেন, আমরা কাউকে ছোট করতে চাই না। যে যেখানে আছেন মাথার উপরে তাদের সবাইকে মাথা উপরেই রাখতে চাই। কিন্তু যে মানুষটির অবদান আছে, যে মানুষটি জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছিলেন তাকে ছোট করার কোনো অধিকার আমাদের নেই। অনেকে আজকে তাকে ছোট করতে চাই। এভাবে ছোট করা যায় না। যার যেটা অবদান জাতি সেটা অবশ্যই মনে রাখে, স্মরণ করে এবং মূল্য তাকে দেয়।

জিয়া শিশু একাডেমির মহাপরিচালক এম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কন্ঠ শিল্পী খুরশীদ আলম, জিনাত রেহেনা, অভিনেত্রী রিনা খান, ক্বারী মাওলানা মো. জহিরুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাপলা কুঁড়ির থীম সং ‘আমরা এনেছি, সোনালী সূর্য, আমরা এনেছি ভোর’ এবং ‘একটাই গল্প শোনো বার বার’ দুইটি গান ইভান শাহরিয়ার সোহাগের ক্যারিওগ্রাফি এবং সামিনা আখতার সম্পার পরিচালনায় ক্ষুদে শিশু শিল্পীরা পরিবেশন করে।


এখানে শেয়ার বোতাম