রবিবার, জানুয়ারি ২৪

চট্টগ্রামের দুই ল্যাবে ৫ হাজার করোনা পরীক্ষার নমুনা জমে আছে

এখানে শেয়ার বোতাম

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:: পাঁচ হাজারের বেশি করোনা পরীক্ষার নমুনা পড়ে আছে চট্টগ্রাম মেডিকেল ও বিআইটিআইডির ল্যাবে। করোনা পরীক্ষার গতি না বাড়ায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল এবং ফৌজদারহাটস্থ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস-বিআইটিআইডি’র দুই ল্যাবে পাঁচ হাজারের বেশি নমুনা পড়ে আছে। নমুনা দেয়ার ৭ দিনের মধ্যেও মিলছে না পরীক্ষার ফলাফল। পরীক্ষার গতি না বাড়ায় নমুনাগুলোর মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে, জট কমাতে তিন হাজার নমুনা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

আরিফুর রহমান সবুজ একটি বেসরকারি টেলিভিশনের রিপোর্টার। করোনা পজিটিভ আসার পর বাসায় অবস্থান করছেন ২৩ দিন। ৩রা জুন জেনারেল হাসপাতালে দ্বিতীয়বার নমুনা দিলেও, পরীক্ষার ধীরগতির কারণে এখনো হাতে পাননি ফলাফল।

চট্টগ্রামে তিনটি ল্যাবে প্রতিদিন ৮ শতাধিক নমুনা সংগ্রহ করা হলেও, পরীক্ষা হচ্ছে ৫ শতাধিক। এরইমধ্যে করোনায় সংক্রমিত রোগী ছাড়িয়েছে ৪ হাজারের বেশি। করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে সময় লাগছে ৭ থেকে ৮ দিন বা তারও বেশি। প্রয়োজনের তুলনায় ল্যাব কম হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি।

তিনি বলেন, ‘ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। সেখানে একটি ল্যাবে আজ ৩ হাজার নমুনা পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া চটগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আরও একটি ল্যাব স্থাপনের কাজ চলছে সেখানে আগামী সপ্তাহ থেকে নমুনা পরীক্ষা করা হবে।’ তখন এই জটিলতা কমে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন জেলা সিভিল সার্জন।

এদিকে, ৭ দিনের বেশি নমুনা পড়ে থাকলে যথাযথ ফল পাওয়া নিয়েও রয়েছে সংশয়। চিকিৎসকরা বলছেন, পরীক্ষার ফল পেতে দেরি হওয়ায় আক্রান্তদের মাধ্যমে বাড়ছে সংক্রমণ।

চট্টগ্রাম বিএমএ শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী বলেন, ‘এ অবস্থায় যারা নমুনা দিয়েছেন তাদের উচিত নিজেদের আইসোলেশনে রাখা। যাতে, তাদের মাধ্যমে সংক্রমণ বৃদ্ধি না পায়।’

ল্যাবগুলোতে জনবল ও সক্ষমতা না বাড়ালে পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হয়ে পড়বে। তিনটি ল্যাবে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৫ হাজার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে, যেখানে চার হাজারের বেশি পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।


এখানে শেয়ার বোতাম