বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৪
শীর্ষ সংবাদ

খুবির সাংস্কৃতিক বন্ধ্যাত্ব ও প্রশাসনের লাগামহীন স্বেচ্ছাচার

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 132
    Shares

রাহুল বিশ্বাস ::

দুইটা ছেলে অনেশনে বসেছে তাদের অন্যায় বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে। ক্রমেই তারা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যেই আবার অনশনরত শিক্ষার্থীর শাস্তি আরও এক বছর বাড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে সহমত পোষণ করায় তিনজন শিক্ষককে আবার চাকরি থেকে বহিষ্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। উপাচার্য মহোদয়ের চাকরির মেয়াদ শেষ হবে এ মাসের ২৭ তারিখ। মেয়াদ পূরণের মাত্র ১০ দিন আগে বিশেষ সিন্ডিকেট সভার আয়োজন করে তিনজন শিক্ষককে চাকরি থেকে স্থায়ী বহিস্কারের চূড়ান্ত চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ঘটনাটি ঘটেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে তা ইতোমধ্যে সবাই জেনে গেছেন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, কোন কিন্ডারগার্ডেন বা প্রাইমারি স্কুল নয়। বিশ্ববিদ্যালয়তো মানুষের স্বাধীন চিত্তবৃত্তি এবং মুক্তচিন্তার চর্চার সব থেকে আদর্শ প্রতিষ্ঠানগুলোর উল্লেখযোগ্য একটি প্রতিষ্ঠান। সেখানে কেন শিক্ষার্থীদেরকে কোন দাবি তুললে বহিষ্কার হতে হবে? কেন তারা ন্যায্য দাবিতে সংঘবদ্ধ হতে পারবে না? কতৃপক্ষের যাচাই-বাছাই ছাড়া সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ করা যাবে না? কেন সবকিছুতে কতৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে?

জ্ঞান সংরক্ষণ, জ্ঞান বিতরণ ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টির সাথে মানুষের স্বাধীন ও মুক্ত চিন্তার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবেই জড়িত। বিজ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য এসব সকলকিছুর সাথেই স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে পারার বিষয়টি সর্বদা এক অভিন্ন সত্তায় বিরাজমান। আর সেটি যখন বাধাগ্রস্ত হয় তখন সেই প্রতিষ্ঠান—শিক্ষাঙ্গন তথা সেই জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে পড়ে। সেই সাথে সেখানকার অবশিষ্ট মেরুদণ্ড অর্থাৎ কৃতবিদ্য ব্যক্তির মনীষা, শ্রম ও ত্যাগের বিনিময়ে জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার ও সৃষ্টির উভয় ভূমি ধসে পড়ে।

গত বছরের শুরুতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের মৌলিক কিছু দাবী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বরাবর জানায়। অত্যাধিকভাবে বেতন বৃদ্ধির হার কমানো , আবাসন সংকট নিরসন, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার উৎকর্ষসাধন, অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অবকাঠামো নির্মাণ এবং শিক্ষার্থী বিষয়ক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্তকরণ ও অবহিতকরণ এই পাঁচটি মৌলিক দাবি কতৃপক্ষ বরাবর জানানোর পর আশানুরূপ কোন ফল না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা শেষমেশ আন্দোলনে নামে।বিশ্ববিদ্যালয়টির ১০-১২ জন শিক্ষক (১০-১২জন) শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর সাথে সহমত পোষণ করে।ঘটনার নয় মাস পর সহমত পোষণকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে বেছে বেছে চারজন শিক্ষকের নামে ‘উসকানি’ দেবার অভিযোগ এনে শোকজ করে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। অতঃপর আমরা দেখলাম দুইজন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও তিনজন শিক্ষককে চাকরি থেকে অপসারণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হল।

শোকজকৃত চারজন শিক্ষকের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বক্তব্য ছিল, ‘তাদের মধ্যে কয়েকজন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সামনে সরাসরি হাজির হয়ে বক্তব্যও দেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে নজিরবিহীন।’ তার মানে স্বজ্ঞানে হোক কিংবা অজ্ঞানে হোক খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মুখ থেকে একটা বিরাট সত্য কথার প্রকাশ ঘটেছে। প্রশাসনের বিবৃতির উপরোক্ত কথাটির এই অর্থ দাঁড়ায় যে জন্মলগ্ন থেকে খুবির শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের যে কোনো দাবিদবার স্বপক্ষে কখনোই ছিল না কিংবা তার শিক্ষকসমাজ শিক্ষার্থীবান্ধব ছিল এমন কোন নজির খুবির নেই। সেই সাথে পরোক্ষভাবে কথাটার অর্থ এই দাঁড়ায় যে যেহেতু জন্মতিথি থেকে খুবির শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের চাওয়া পাওয়ার সাথে কখনোই ছিল না, সেমর্মে খুবির শিক্ষক সমাজের এই বিরাট ঐতিহ্যের বিপক্ষে যাওয়া গুরুতর অপরাধ বটে।

খুবির প্রশাসন কয়েকজন শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের দাবীর সাথে সহমত পোষণ করার ঘটনাকে যে বিশ্ববিদ্যালয়টির ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা বলেছে নিঃসন্দেহে বিষয়টি উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার। তবে এই পরিস্থিতিতে আমি অবশ্য আশান্বিত হয়েছিলাম এজন্য যে খুবিতে সত্যিকারের কিছু শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষকের আবির্ভাব ঘটেছে সেটা ভেবে। কিন্তু শেষমেশ কি দেখলাম? শিক্ষার্থীদের বহিস্কার যেমন সেখানকার কতৃপক্ষের কাছে ডালভাত, ঠিক তেমনিই আমার প্রায় সমবয়সী তরুণএই শিক্ষকদেরকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তও খুবি কতৃপক্ষের কাছে ডালভাতের মতোই। ঘটনামর্মে যেটা বুঝলাম খুবিতে কিছু শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষকের আবির্ভাব ঘটেছে বটে, কিন্তু সেখানকার প্রশাসন বিন্দুমাত্র তার আগের চরিত্র বদলায় নি। পার্থক্যটা এই যে পূর্বে যা যা শুধুমাত্র একজন শিক্ষার্থীর সাথে ঘটতো এখন তা তা একজন শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষকের সাথেও ঘটতে চলেছে। এরকম ঘটনা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কি শুধুমাত্র আজকের নাকি বহু পুরনো। যন্ত্রণার বিষাদটা এখন চারদিকে ছড়িয়েছে, তাই সকলে মুখ খুলেছে। সবার কথা থেকেই জানা যায় অন্যায়ভাবে শিক্ষার্থীদের প্রতিখুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকতৃক এমন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বহু দিনের পুরনো একটি ব্যবস্থা। জন্মলগ্ন থেকে সেখানকার বহু শিক্ষার্থী এই যাতনার যাতাকলে দগ্ধ হয়েছে, যা চলছে, চলছেই… ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন আন্দোলন, দাবীদবা থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে অংশগ্রহণের ফলশ্রুতিতে ভিন্ন ভিন্ন অজুহাতে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনকতৃক বিভিন্ন মেয়াদে শিক্ষার্থীদের অন্যায়ভাবে বহিষ্কার, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অসৌজন্যমূলক আচরণ ও অন্যায় সিদ্ধান্তের ঘটনা সেখানে অহরহ ঘটেছে।সিস্টেমটা এরকমঃ দেখ…মাথা গুনে রাখো… কয়েক মাস অপেক্ষা করো… অতঃপর বহিষ্কার করো।

কিন্তু সকল ঘটনার আসলে একটা মূল থাকে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের (শেষমেশ শিক্ষকরাও যে খাতায় আসলো) সাথে প্রশাসনের বরাবরই এমন স্বেচ্ছাচারী আচরণের মূলটা আসলে কি? সেটা বোঝার জন্য ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আচরণ শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ’ বিষয়ে জানা যেতে পারে। যার ১৭ (খ) অনুচ্ছেদে শিক্ষার্থীদের ধর্মঘট (যার প্রকৃত অর্থ ধর্ম রক্ষার্থে যে ঘট বা ব্রত), বিক্ষোভ সংগঠন ও প্রদর্শনের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা বলা আছে। তার মানে শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে যেকোনো দাবি করলেই, যেকোনো কিছু চাইলেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একরকম তার নৈতিক ক্ষমতা (মূলত আইনগত বা দাপ্তরিক) বলেই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শাস্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট, একাডেমিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত, শিক্ষকের সাথে অসাদাচারণ, ক্যাম্পাসে রাজনীতি প্রবেশের ষড়যন্ত্র এমন নানান অজুহাত দিয়ে সংগঠিত, সমবেত, অবস্থানরত, জটলারত কিংবা আন্দোলনরত যেকোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

একইভাবে শিক্ষার্থীদেরঅধ্যাদেশে’র ১৯ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘প্রকাশিত হল সংসদ ম্যাগাজিন, কেন্দ্রীয় সংসদ ম্যাগাজিন কিংবা শিক্ষার্থীদের যে কোনো ধরনের বুলেটিন এবং পোস্টারের প্রতিকী সংখ্যা ছাত্র বিষয়ক পরিচালকের বরাবরে জমা দিতে হবে।’ ২০ নং অনুচ্ছেদে বলা, ‘উপাচার্য উপযুক্ত কারণে কোনো জার্নাল অথবা ম্যাগাজিন অথবা যে কোনো প্রকাশনা বন্ধ করে দিতে পারবেন।’ তার মানে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের একটা সাহিত্য পত্রিকা কিংবা ম্যাগাজিন প্রকাশ করতে গেলে সেটার একটা কপি কতৃপক্ষের নিকট জমা দিতে হবে এবং কতৃপক্ষের সদয়দৃষ্টি অর্থাৎ ছাড়পত্র পেলেই শুধুমাত্র সেটা প্রকাশ পাবে। একইভাবে কোন ধরণের পোস্টার লাগাতে গেলে, গ্রাফিতি আঁকতে গেলে, এমনকি যে কোনো বিষয়ে মানববন্ধন করতে গেলেও কতৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। অথচ বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ৩৯ (১) ধারায় ব্যক্তির চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা ও বাক স্বাধীনতার নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে। ৩৭ নং ধারায় সমাবেশের স্বাধীনতাকে ব্যক্তির মৌলিক অধিকার বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। এমতাবস্থায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতি কতৃপক্ষের আরোপিত অধ্যাদেশের অংশবিশেষ বাংলাদেশের সংবিধানের নির্দেশনা সমুন্বত রাখা ও সংবিধানের মর্যাদা রক্ষার সাথে ব্যাপক অসামঞ্জস্য, বৈপরীত্য ও অসংগতিপূর্ণ শুধু নয় তা শিক্ষার্থীদের চাওয়া পাওয়ার মতো বিষয়গুলোসহ তাদের চিন্তা, চেতনা ও মননশীলতাকে অবরুদ্ধ করার প্রয়াস বটে।

১৯৯০-এক্ট-এর ৫১ (২) অনুযায়ী ‘কোন শিক্ষক বা কর্মকর্তার রাজনৈতিক মতামত পোষণের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন না করিয়া তাহার চাকুরীর শর্তাবলী নির্ধারণ করিতে হইবে; তবে তিনি তাহার উক্ত মতামত প্রচার করিতে পারিবেন না বা তিনি নিজেকে কোন রাজনৈতিক সংগঠনের সহিত জড়িত করিতে পারিবেন না৷’ এই বক্তব্য নিজেই নিজের সাথে স্ববিরোধী; রাজনৈতিক মতামত পোষণের স্বাধীনতা থাকবে অথচ মতামত প্রচার করা যাবে না। কথা হল একজন ব্যক্তির যে কোন মতকেইতো ‘রাজনৈতিক’ ক্যাটাগরিতে ফেলে দেয়া সম্ভব কিংবা ‘মতামত প্রচার করিতে পারিবেন না (রাজনৈতিক কিংবা অরাজনৈতিক যাই হোক না কেনো)’ এই শর্তে ব্যক্তির যেকোনো মতামতকেই প্রতিষ্ঠানের জন্য অবমাননাকর, মানহানিকর, অবজ্ঞার এমর্মে অপব্যবহার করা সম্ভব। যেমন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবির সাথে শিক্ষকদের সহমত পোষণ করার বক্তব্যকে ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অবমাননাকর’ ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠমোর প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন’এমর্মে শিক্ষকদেরকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার মানে ‘অধ্যাদেশ-এক্ট’ বলে খুব স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এখানে শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও শিক্ষককে বরখাস্ত করা সম্ভব। খুব স্বভাবত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধাত্বের মূলটা এই ‘অধ্যাদেশ-এক্ট’ নামক মার্শাল ল’-এর মধ্যেই।আইন-এক্ট-অধ্যাদেশ এগুলো শুধুমাত্র দুর্বলদের (সকল শিক্ষার্থী, নবীন শিক্ষক) জন্য প্রযোজ্য। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধে তার ২৫-২৬ জন আত্মীয়কে নিয়োগ, একাডেমিক ভবন নির্মাণে দুর্নীতি, লুটপাট ও নিয়োগ বাণিজ্যের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে সবকিছু সর্বদা ধরাছোঁয়ার বাইরেই।

বোঝায় গেল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ কেউ আছে যাদের মেরুদণ্ড রয়েছে। এই মেরুদণ্ডগুলো ভেঙে গেলে গোটা জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে যাবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবী শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ের সনদ শুধু নয়, তা বাঙালি জাতির ছাত্রসমাজের অতীত গর্বের দিনগুলোকেও স্মরণ করিয়ে দেয়। একইভাবে সেখানকার কয়েকজন নবীন শিক্ষক সামনে থেকে শিক্ষার্থীদের ন্যায়সম্মত দাবীর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে ‘শিক্ষক’ নামটির মর্যাদায় শুধু রক্ষা করেননি, গোটা জাতির সামনে বিবেক হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

কথায় আছে সকলে যুদ্ধে যায় না, সকলেই মিছিলে যায় না। যারা যায়, আসুন তাদের কাছে গিয়ে অন্তত শুভকামনাটুকু জানাই।

লেখকঃ প্রবন্ধকার ও গল্পকার এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক একজন শিক্ষার্থী।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 132
    Shares