রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৮
শীর্ষ সংবাদ

খুবির শিক্ষকদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে ছাত্র জোটের বিক্ষোভ

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 294
    Shares

অধিকার ডেস্ক:: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি মেনে নেওয়া ও বিশ্ববিদ্যালয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস নিশ্চিত করার দাবিতে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ।

আজ বুধবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল ৪ টায় রাজু ভাস্কর্যে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন প্রগতিশীল ছাত্র জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল কাদেরী জয় এবং সঞ্চালনা করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শোভন রহমান।

সমাবেশের শুরুতে একটি বিক্ষোভ মিছিল টিএসসি থেকে শুরু করে রোকেয়া হল প্রদক্ষিণ করে শাহাবাগ ঘুরে রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়।

সভাপতির বক্তব্যে আল কাদেরী জয় বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এখন শিক্ষার্থীদের জীবনের মূল্য নেই, তাদের শিক্ষা জীবনের মূল্য নেই। তারা ব্যস্ত কিভাবে সরকারের তাবেদারি করা যায় এবং আরও ভালো পদে নিজের অবস্থান শক্ত করা যায় তা নিয়ে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই চিত্র আজকে সারা বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র।

ছাত্র রাজনীতি বন্ধের নামে শাসকদল এমন একটি প্রজন্ম তৈরি করেছে যারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করে না, মিছিলে স্লোগান দেয় না। আজ তারা বিভিন্ন ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে চুড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এগুলোকে সরকারের দাস বানাতে চাইছে। এজন্য তারা ইউজিসিকে ক্রমশ নতজানু প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে, পরে ইউজিসি বিলুপ্ত করে উচ্চ শিক্ষা কমিশনের নামে আরও বেশি নতজানু প্রতিষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে। শুধু এই নয়, ৭৩ এর অধ্যাদেশে স্বায়ত্ত্বশাসনের যে ছিটেফোটাও ছিল, আজ সেটি তুলে দিয়ে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্বাধীনতা রুদ্ধ করে দেওয়ার চক্রান্ত করছে। কিন্তু এভাবে গায়ের জোরে আন্দোলন, প্রতিবাদ বন্ধ করা যায় না। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষার্থী তার উদাহরণ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, উপাচার্য শিক্ষার্থীদের বহিস্কারাদেশ তুলে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু অন্যায় ভাবে যে শিক্ষকদেরকে বহিস্কার করা হয়েছে, তাদের বিষয়ে কিছুই বলেন নি। তাই স্বভাবতই সন্দেহ রয়ে যায়, এই আশ্বাসও কি শেষ পর্যন্ত আন্দোলন বন্ধের একটি চক্রান্তে পর্যবসিত হবে।

নেতৃবৃন্দ দাবি আদায় হওয়ার আগ পর্যন্ত এই আন্দোলনকে না থামিয়ে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান আগামীকাল ২৮ জানুয়ারি একযোগে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেবার আহ্বান জানান।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 294
    Shares