বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৬

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ‘ডু অর ডাই’ আন্দোলনে যেতে হবে: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য নিজেদের ‘ডু অর ডাই’ আন্দোলনে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, কথার ফুলঝুরি দিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বা দলের শীর্ষ নেতাদের খুশি করার জন্য যদি ব্যস্ত থাকি তাহলে প্রকৃত অর্থে খালেদা জিয়ার জেল আর তারেক রহমানের দেশান্তর হবে চিরস্থায়ী। সেই কারণেই আজকে মূল দায়িত্ব- ‘ডু অর ডাই’ আন্দোলন। ‘মরি আর বাঁচি’- একটা কিনারা হোক।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সম্মিলিত ছাত্র ফোরামের উদ্যোগে তারেক রহমানের ৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব বলেন। সভার পর তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দলের সব পর্যায় থেকে একটি দাবি- খালেদা জিয়ার মুক্তির জোরদার আন্দোলন। এখনই খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলনের সিদ্ধান্ত না নেওয়া অপরাধ।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সবাই আন্দোলনের কথা বলছেন। নেতারা আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারছি না। তাহলে আপনারা নেতাদের কথা শুনছেন কেন? আপনারা তাদের বাড়িঘর ঘেরাও করছেন না কেন?

গয়েশ্বর আরও বলেন, একাত্তরে যারা যুদ্ধ করেছেন তারা রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে একটা দেশ এনেছেন। আজকে আমাদেরও দায়িত্ব ‘ডু অর ডাই’ আন্দোলন করা। মরে গিয়েও যদি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটা ভালো দেশ রেখে যেতে পারি তাহলেই স্বার্থকতা। নতুবা আগামী প্রজন্ম আমাদের চিতা বা কবরের সামনে গিয়ে অভিশাপ দেবে।

বিএনপির এই বলেন, খালেদা জিয়ার মতো একজন আপোষহীন নেত্রী জেলখানায় থাকবেন আর আমরা প্যারোল বা জামিন নিয়ে কোর্টে দৌড়াদৌড়ি করব- তা কেনো? আমরা রাজপথের আন্দোলন করবো। যে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে আসবেন। খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলনই সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সামনে বেশি সময় নাই। একটা ইস্যুর মধ্যে সব ইস্যু রয়েছে। সেটা হলো গণতন্ত্রের ইস্যু, খালেদা জিয়ার মুক্তির ইস্যু। এই দুইটা ইস্যু যদি ফয়সালা করতে পারি বাকি ইস্যুগুলো ভবিষ্যতে মিটবে। আর এটা যদি মীমাংসা না করতে পারি, গণতন্ত্রের সফলতা যদি দৃশ্যমান না করতে পারি তাহলে প্রতিদিন নয়, প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় ইস্যু হবে। এই সরকার দেশ পরিচালনায় অক্ষম। দুর্নীতি ও ঘুষের মধ্য দিয়ে কোষাগার করেছে খালি। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সবাইকে আন্দোলনের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

সম্মিলিত ছাত্র ফোরামের আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, কেন্দ্রীয় নেতা আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, সাবেরা নাজমুল, জাসাসের শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


এখানে শেয়ার বোতাম