বৃহস্পতিবার, মার্চ ৪
শীর্ষ সংবাদ

খালেদার জামিন না হলে সরকার পতনের একদফা আন্দোলনে যাবে বিএনপি

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: আদালতে খালেদা জিয়ার জামিন না হলে সরকার পতনে এক দফা আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এই প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করে ঢাকাস্থ চরফ্যাশন-মনপুরা জাতীয়তাবাদী ফোরাম।

মোশাররফ বলেন, যদি দেখি ৫ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি হয়নি, তাহলে বুঝতে হবে শেখ হাসিনার সরাসরি হস্তক্ষেপে খালেদার মুক্তি হয়নি। ওইদিন এদেশে শুধু এক দফার আন্দোলন হবে। তা হবে শেখ হাসিনার স্বৈরাচার-ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলন।

তিনি বলেন, আমাদের উচ্চতর আদালত আপিল বিভাগ আর চিকিৎসা বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান বিএসএমএমইউ। যদি আমরা সুবিচার না পাই, যদি আমরা সুচিকিৎসা না পাই তাহলে আমাদের বিকল্প নেই, এই সরকারের পতন ঘটানো ছাড়া।

সরকার পতনের সেই আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান খন্দকার মোশাররফ।

খালেদা জিয়ার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের উদ্দেশে সাবেক এই স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্ট চেয়েছে। আমরা জানি, এই বিএসএমএমইউ প্রশাসন স্বাধীন নয়, এই বিএসএমএমইউর যারা চিকিৎসক, তারাও স্বাধীন নন। সরকারের বিভিন্ন রক্তচক্ষু এবং তাদের প্রতি হুমকি-ধামকি রয়েছে। তারপরও আমরা মনে করি, তারা তাদের পেশার প্রতি সুবিচার করে বেগম খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা যা, তা বলবে।

বিএসএমএমইউ ‘সঠিক রিপোর্ট’ পাঠালে আপিল বিভাগ থেকে খালেদার মুক্তি মিলবে বলে আশা করছেন তিনি।

এ সময় বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগের সমালোচনা করে মোশাররফ বলেন, এই সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়াতে আবার উদ্যোগ নিয়েছে। তারা ক্ষমতায় আসার পরে প্রায় ৮ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে এবং এই বার ২৩ দশমিক ২৭ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে।

পেঁয়াজ ও লবণসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বাড়ায় আওয়ামী লীগের ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে দায়ী করেন তিনি।

সংগঠনের সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা নাজিম উদ্দিন আলমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, এবিএম মোশাররফ হোসেন, রফিক শিকদার।

আলোচনা সভার পর এবিএম মোশাররফ হোসেন জাতীয় প্রেসক্লাবের গেট পেরুলেই সাদা পোশাকে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ধরে নিয়ে যায়।


এখানে শেয়ার বোতাম