কাজে যাওয়ার পথে সড়কে প্রাণ গেল ৫ নির্মাণ শ্রমিকের -
 

কাজে যাওয়ার পথে সড়কে প্রাণ গেল ৫ নির্মাণ শ্রমিকের

Pronob paul 3:06 pm সারা দেশ,
Home  »  সারা দেশ   »   কাজে যাওয়ার পথে সড়কে প্রাণ গেল ৫ নির্মাণ শ্রমিকের

অধিকার ডেস্ক:: নির্মাণ কাজে যাওয়ার পথে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সড়কে ঝরে গেল পাঁচ শ্রমিকের প্রাণ।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে উপজেলার পোনা নামক স্থানে যাত্রীবাহী একটি বাসের সঙ্গে নছিমনের সংঘর্ষে তারা নিহত হন।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় আরও সাতজন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে এদের গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর পাঠানো হয়েছে।

হতাহতরা নছিমনের যাত্রী ছিলেন। তারা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের চিতা গ্রাম থেকে নছিমনে ভবন নির্মাণ কাজ করতে ভাটিয়াপাড়া গ্রামে যাচ্ছিলেন।

দুর্ঘটনাস্থল ও কাশিয়ানীতে হাসপাতালে মারা যাওয়া তিনজন হলেন- কাশিয়ানীর তিতা গ্রামের রাফিক মোল্লার ছেলে বদির মোল্লা (২৪), একই গ্রামের বেলায়েত মুন্সির ছেলে সুমন মুন্সি (২০) ও বজলু ফকিরের ছেলে মিজান ফকির (৪০)।

এছাড়া গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিতা গ্রামের আবি মোল্লার ছেলে সিরাজুল ইসলাম মোল্লা (৩০) মারা গেছেন বলে জানান হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত কুমার মল্লিক। আর ফরিদপুর নেয়ার পথে হাফিজুর মোল্লার ছেলে সুজন মোল্লার ( ৩০) মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. অঞ্জন কুমার সাহা।

কাশিয়ানী থানার ওসি মো. আজিজুর রহমান দুর্ঘটনায় হতাহতের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কাশিয়ানীতে তিনজন এবং গোপালগঞ্জে হাসপাতালে একজন ও ফরিদপুর নেওয়ার পথে আরেকজনের মৃত্যু হয়।

কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো. ইকবাল খান জানান, সকালে কাশিয়ানীর পোনায় ফিডার সড়ক থেকে একটি নছিমন মহাসড়কে ওঠার সময় ফালগুনী পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক নছিমন যাত্রী নিহত হন। কাশিয়ানী হাসপতালে আনার পথে আরও দুই নছিমন যাত্রী মারা যান। আহত নছিমনের আরও ৯ যাত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আশংকাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ ও গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

দুর্ঘটনার পর ভাঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। আহতদের মধ্যে রেজাউল, বেলায়েত মুন্সি ও রাফিদসহ ৯ জনকে গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।