শুক্রবার, ডিসেম্বর ৪

করোনা উপসর্গ নিয়ে ফেরদৌস ওয়াহিদ আইসিইউতে

সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ
এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক:: সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ আইসিইউতে। জ্বর, সর্দি-কাশির সমস্যা নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হন তিনি।

বর্তমানে শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। ৬৭ বছর বয়সী এ সংগীতশিল্পী কয়েক বছর ধরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন।

প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তিনি (ফেরদৌস ওয়াহিদ) জ্বরে ভুগছেন। কয়েকদিন আগে ঢাকার একটি হাসপাতালে করোনা টেস্ট করানো হয়েছিল, কিন্তু রেজাল্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু জ্বরের কারণে তিনি ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া করতে পারছিলেন না। ফলে শরীর বেশ দুর্বল হয়ে গেছে। এ জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে গান করে আসছেন গুণী সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অনেক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন কিংবদন্তি এই গায়ক। গান করার পাশাপাশি নায়ক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। সিনেমাতে ফেরদৌস ওয়াহিদ প্রথম প্লেব্যাক করেন দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘আসামী হাজির’ সিনেমায়।

তার আলোচিত প্লেব্যাকগুলো হচ্ছে- ‘ওগো তুমি যে আমার কত প্রিয়’, ‘আমি এক পাহারাদার’, ‘শোন ওরে ছোট্ট খোকা’, ‘আমি ঘর বাঁধিলাম’ ইত্যাদি। সিনেমার বাইরে তার গাওয়া আলোচিত গান হচ্ছে ‘মামুনিয়া’, ‘আগে যদি জানতাম’, ‘এমন একটা মা দে না’। ৭০-এর দশকে তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয় তার গানের যাত্রা। পরবর্তিতে লোকসঙ্গীতে তালিম নিয়েছেন আব্দুল আলিমের কাছে। গান শেখা শুরু করেন ওস্তাদ মদনমোহন দাশের কাছে। ক্লাসিকাল গান শেখেন ওস্তাদ ফজলুল হকের কাছে। ক্যারিয়ার শুরু করার সময় তার কয়েকটি হিট গান আনিস জেড চৌধুরী, লাকি আকন্দ এবং আলম খান সুর করেছিলেন। এর পর হতে বর্তমান সময়কাল পর্যন্ত তিনি পরিচালনা ও গান করছেন।

২০০৪ সালে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। তিনি নির্মাণ করেন ’ডেঞ্জারম্যান’ নামের একটি টেলিফিল্ম এরপর ’দুরন্ত অভিযান’, ’কয়েদি’ নামে দুটি অ্যাকশন-অ্যাডভেঞ্চারধর্মী টেলিফিল্ম নির্মাণ করেন।


এখানে শেয়ার বোতাম