বুধবার, জানুয়ারি ২৭

করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ছাড়াল, প্রাণহানি ৮২৭০

এখানে শেয়ার বোতাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: বিশ্বজুড়ে প্রাণঘাতী নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রথমবারের মতো দুই লাখ ছাড়িয়েছে। বিশ্বের ১৭২টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে প্রাণ গেছে ৮ হাজারের বেশি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স সেন্টর ফর সিস্টেমস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বলছে, বুধবার বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ৬৫২ জনে। এছাড়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮ হাজার ২৭০ জনের এবং সুস্থ হয়েছেন ৮২ হাজার ৮৬৮ জন।

এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে চীন, ইতালি, ইরান, স্পেন এবং জার্মানিতে। শুধুমাত্র চীনেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ হাজার ৮৯৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২৩৭ জনের। এছাড়া দেশটিতে সুস্থও হয়েছেন ৬৯ হাজার ৬১৪ জন। এছাড়া ইতালিতে ৩১ হাজার ৫০৬ জন আক্রান্ত, মৃত্যু ২ হাজার ৫০৩, সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৯৪১ জন। ইরানে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৩৬১, মৃত্যু ১ হাজার ১৩৫ এবং সুস্থ ৫ হাজার ৩৮৯ জন।

চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে উৎপত্তি হয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসের নতুন প্রাণকেন্দ্র হিসেবে ইউরোপকে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ইতালিতে এই ভাইরাসের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত তিনদিনে দেশটিতে প্রত্যেকদিন গড়ে তিন শতাধিক মানুষের প্রাণ কেড়েছে করোনা।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রথমবারের মতো প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হয় কর্তৃপক্ষ। তখন থেকে নতুন এই ভাইরাসে বিশ্বজুড়ে প্রাণ গেছে ৮ হাজার ১৬০ জনের। এছাড়া এতে আক্রান্ত হয়েছেন দুই লাখ ৪ হাজার ৬৫২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৮২ হাজার ৮১৩ জন।

করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।

করোনাভাইরাসের কোনো টিকা বা ভ্যাকসিন এখনও তৈরি হয়নি। ফলে এমন কোনো চিকিৎসা এখনও মানুষের জানা নেই, যা এ রোগ ঠেকাতে পারে। আপাতত একমাত্র উপায় হলো আক্রান্তদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা।
সূত্র: ফক্স নিউজ।


এখানে শেয়ার বোতাম