বুধবার ‚ ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ ‚ ১২ই আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ ‚ সকাল ৬:১৯

Home বিপ্লবীদের কথা কমরেড মণি সিংহ আদর্শের প্রেরণা

কমরেড মণি সিংহ আদর্শের প্রেরণা

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম::

কমরেড মণি সিংহ ছিলেন আমাদের উপমহাদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের কিংবদন্তি নেতা, তার অন্যতম স্থপতি। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ। তিনি ছিলেন এ দেশের তরুণ বিপ্লবীদের কাছে অনুপ্রেরণা ও উজ্জীবনের অনন্ত উৎস। তাঁর বিপ্লবী জীবনাদর্শ ও অক্ষয় বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের মাঝেই তাঁর কালজয়ী পরিচয় লিপিবদ্ধ। এই পরিচয়েই তিনি হয়ে উঠেছিলেন একজন শ্রেষ্ঠ জাতীয় নেতা।

মার্কসবাদী বিপ্লবী জীবনাদর্শই কমরেড মণি সিংহকে একজন বড়মাপের মানুষ হিসেবে তাঁর পরিচয় ইতিহাসে লিপিবদ্ধ করে যেতে পথ দেখিয়েছে। তাঁর জীবনসংগ্রাম ছিল মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য এবং তার মধ্য দিয়ে সার্বিকভাবে মানবমুক্তির জন্য। ‘মুক্ত মানবের মুক্ত সমাজ’ তথা সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য ছিল তাঁর আমৃত্যু সংগ্রামী প্রয়াস। মানুষই ছিল তাঁর সাধনার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি সবসময় ‘বিপ্লবী মানবতাবাদ’-এর পক্ষে প্রচার করতেন। মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও মানবপ্রেমকে বিপ্লবী ধারায় সমাজে সর্বজনীন করে তুলতেই পরিচালিত হয়েছিল তাঁর বিপ্লবী কর্মকাণ্ড। সেই কর্মকাণ্ড এ দেশে ও বিশ্বে আজও অব্যাহত। প্রবল প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে হলেও নবজাগরিত শক্তি নিয়ে তা অগ্রসর হচ্ছে। মণি সিংহ এই সংগ্রামে আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার অনন্ত উৎস হিসেবে চিরঞ্জীব।

১৯৬৬ সালের মে মাসের এক সন্ধ্যায় ঢাকার কল্যাণপুর এলাকায় একটি বাঁশের বেড়ায় ঘেরা টিনের বাসায় অনুষ্ঠিত সন্ধ্যারাতের ছাত্র কর্মীদের বৈঠকের স্মৃতি আমার কাছে আজও উজ্জ্বল। কমিউনিস্ট পার্টি তখন নিষিদ্ধ অবস্থায় আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যবস্থায় কাজ করছে। আমরা কলেজের শিক্ষাজীবনে প্রবেশ করে পার্টির কর্মী গ্রুপে গোপনে সংগঠিত হয়েছি। কমিউনিস্টদের মধ্যে তখন চলছে চীন-রাশিয়া নামে আদর্শগত-তাত্ত্বিক বিতর্কের ঝড়। আরও চলছে বিভেদ-বিভক্তির ট্র্যাজিক সব ঘটনা। পার্টির ঢাকাস্থ সব ছাত্র কর্মীর একটি সভা করে তাদের সামনে আত্মগোপনে থাকা পার্টি নেতাদের নিয়ে এসে তাত্ত্বিক ও সাংগঠনিক শক্তি সংহত করার জন্য মহান মে দিবস উপলক্ষে সন্ধ্যার পর সেদিন সেই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল।

সেদিন সন্ধ্যায় আঁধার ঘনিয়ে আসার পরপরই কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডে নেমে মিনিট দশেক হেঁটে আমাদের পার্টি গ্রুপের পাঁচজন সদস্যসহ গন্তব্যে পৌঁছেছিলাম। সভাস্থানে আগেই হাজির হয়েছিল ৬০-৭০ জন ছাত্র কমরেড। দেখলাম, হারিকেনের আলোতে আলোকিত সভাকক্ষের একপাশ ধরে বসে আছেন তিনজন প্রবীণ ও একজন অপেক্ষাকৃত তরুণ অপরিচিত ব্যক্তি। একে একে তাঁরা সবাই বক্তৃতা করলেন। কমরেড আজাদ (মণি সিংহ), কমরেড আমিন (অনীল মুখার্জি), কমরেড করিম (জ্ঞান চক্রবর্তী) এবং কমরেড কবির (মো. ফরহাদ) নামে তাদেরকে আমাদের কাছে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলো। সাদা পায়জামার ওপর সাদা ফুল হাতা লম্বা কুর্তা-শার্ট গায়ে ফর্সা, লম্বা, কালো চশমা পরা কমরেড আজাদ নামের যে মানুষটির তেজোদীপ্ত বক্তৃতা সেদিন শুনেছিলাম, তিনিই যে কমরেড মণি সিংহ, সে কথা জানতে পেরেছিলাম পার্টির অন্য নেতাদের কাছ থেকে আরও কয়েক মাস পরে। এর পর ১৯৬৮ সালে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে যান। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি মুক্ত হয়ে আসেন। তখনই তাঁর সঙ্গে আমার দেখা-সাক্ষাৎ ও সামনাসামনি কথাবার্তা বলার প্রথম সুযোগ হয়।

কমরেড মণি সিংহের সঙ্গে আমার পরিচয় ঘনিষ্ঠতা লাভ করে মুক্তিযুদ্ধের সময়। তখন কয়েকবার তাঁর সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে। ২-৪ দিন একই বাসায় রাত কাটিয়েছি। আমি ছিলাম প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা, বিশেষ গেরিলা বাহিনীর প্রথম দলের একজন কমান্ডার। তিনি আমার কাছে অস্ত্রশস্ত্র সম্পর্কে, যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে, আমাদের গেরিলা দলগুলোর তৎপরতা সম্পর্কে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সবকিছু জানতে চাইতেন। এসব বিষয় যেন সবই তাঁর নিজস্ব বিষয়, একান্ত আপন ভুবনের ব্যাপার। গারো পাহাড় এলাকার টংক প্রথাবিরোধী সশস্ত্র কৃষক বিদ্রোহের সেনাপতি অস্ত্র কাঁধে ঝুলানো সাদা ঘোড়ায় সওয়ার চল্লিশ-পঞ্চাশের দশকের মণি সিংহই আমার মানসচক্ষে সামনে এসে দাঁড়াত, তাঁর সঙ্গে এসব বিষয়ে আলোচনার সময়।

কমরেড মণি সিংহ ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতৃত্বের অন্যতম ব্যক্তিত্ব। স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এবং কমিউনিস্ট পার্টির রাজনৈতিক-সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। রাজনৈতিক, সাংগঠনিক, আন্তর্জাতিক, আদর্শিকসহ বহুবিধ কাজে সে সময় ৭০ বছর বয়সের এই মানুষটি ৯ মাস অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন মুক্তিযুদ্ধের গতিধারা সঠিক পথে প্রবাহিত করতে, তার প্রগতিমুখী কর্মকাণ্ড নিশ্চিত করতে, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে দেশি-বিদেশি শক্তির সমাবেশ ও ঐক্য গড়ে তুলতে এবং জাতির এই মরণপণ সংগ্রামকে বিজয়ের পথে নিয়ে যেতে অমূল্য অবদান রেখেছেন।

স্বাধীনতার পর আরও অনেক কাছে থেকে কমরেড মণি সিংহকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। অগণিত সভা, প্রকাশ্য-গোপন বৈঠক, আন্ডারগ্রাউন্ডে এক ডেনে, জেলা সফর, জনসভা, বিদেশ সফর, পার্টির সমাবেশ, কৃষক সমিতি-ক্ষেতমজুর সমিতির কর্মসূচিতে তাঁর সঙ্গে কাজ করেছি। পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং এক পর্যায়ে পার্টির কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীতে তাঁর সঙ্গে কাজ করার সুযোগও আমার হয়েছে। তাঁকে কাছে থেকে দেখেছি, তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। তাঁর মাঝে আমি খুঁজে পেয়েছি অসাধারণ এক ‘মানুষ’কে। এসব ছাড়াও আমার দুর্লভ সুযোগ হয়েছিল তাঁর সঙ্গে অনেক মাস জেলখানায় একসঙ্গে একই ওয়ার্ডে পাশাপাশি সিটে থাকার। আমার কারাজীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন ছিল কমরেড মণি সিংহের নিবিড় সঙ্গ পাওয়া, কারাগারের আচার্যের সান্নিধ্য পাওয়া। বিপ্লবী রাজনৈতিক জীবনবোধের নিখুঁত প্রতিফলন তাঁর মাঝে তখন দেখেছি। শৃঙ্খলাপূর্ণ প্রাত্যহিক জীবনাভ্যাস, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ-বিনোদন, বন্দিদের প্রতি মমত্ববোধ, সাধারণ কয়েদিদের প্রতি প্রীতিময় আচরণ- এসব বৈশিষ্ট্যে মণ্ডিত ছিল তখনকার ৭৫ বছর বয়সী মণি সিংহের কারাগারের দিনগুলো।

বই পড়, পাঠচক্র চালাও, আলোচনা সভা কর। উন্নত পরিবেশের জন্য জেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দরবার কর। রেশন কেন খারাপ এলো? পত্রিকা আসতে বিলম্ব হয় কেন? ডাক্তার রাউন্ডে থাকে না কেন? বন্দিজীবন, তাতে কী? সেখানেও আরও ভালো থাকার জন্য সংগ্রাম কর। যা বিদ্যমান তাকেই ধ্রুব ধরে নিয়ে, ‘বাস্তবতা’ বলে অজুহাত দিয়ে, চলতি অবস্থার কাছে, চলতি হাওয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করা চলবে না। যা বিদ্যমান তাকে উন্নত করা, তাকে বদলানোর চেষ্টা করে যেতে হবে। সেই সংগ্রামই নিরানন্দ, পাষাণসম বন্দিজীবনকে অর্থপূর্ণ ও আনন্দময় করে তুলবে। এসব হলো ১৯৭৭ সালের কথা।

কমরেড মণি সিংহ কোনো বড়মাপের মার্কসবাদী একাডেমিক ছিলেন না। তাত্ত্বিক খুঁটিনাটিতেও তিনি বিশেষজ্ঞ ছিলেন না। কিন্তু তিনি মার্কসবাদকে গভীরতা দিয়ে অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। তিনি তত্ত্ব মুখস্থ বলতে পারতেন না; কিন্তু প্রজ্ঞার সঙ্গে তত্ত্বকে প্রয়োগ করতে পারতেন। তাই তার জীবন পর্যালোচনা করে দেখতে পাই যে বড় বড় মৌলিক ক্ষেত্রে তিনি প্রায় সবসময়ই সঠিক অবস্থান নিয়েছেন, দৃঢ়তার সঙ্গে। ব্রিটিশবিরোধী সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনের ধারা থেকে প্রথম সুযোগেই মার্কসবাদী জীবনাদর্শ গ্রহণ করা, শ্রমিক আন্দোলনে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, নিজ জেলায় পারিবারিক আভিজাত্য ও স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ঐতিহাসিক সশস্ত্র টংক আন্দোলন পরিচালনা, সাম্প্রদায়িক-প্রতিক্রিয়াশীল পাকিস্তান রাষ্ট্রে সাহসের সঙ্গে তিলে তিলে গণতন্ত্র, স্বাধিকারের আন্দোলনের ভিত্তিভূমি রচনা করা, ‘মাওবাদ’ বিষয়ে সঠিক অবস্থান নিয়ে বামপন্থি বিচ্যুতির বিরুদ্ধে দৃঢ় সংগ্রাম পরিচালনা, দক্ষিণপন্থি পদস্খলনের বিপদ সম্পর্কে সর্বদা সতর্ক হুঁশিয়ারি দেওয়া, পার্টিতে বিভেদের বিরুদ্ধে সবসময় অবস্থান নেওয়া এবং গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা কঠোরভাবে অনুশীলন- এসবই কমরেড মণি সিংহকে পার্টির স্বাভাবিক শীর্ষ নেতৃত্বের আসনে পৌঁছে দিয়েছিল। নীতি-আদর্শের প্রশ্নে সবসময় অবিচল-অনমনীয় থাকলেও তিনি কখনও সংকীর্ণ ছিলেন না। মূল শত্রুর বিরুদ্ধে ঐক্যের বিষয়কে বিপ্লবী কর্মকৌশল বলে জানতেন, রণনীতি ও রণকৌশলের আন্তঃসম্পর্ক বিষয়ে কখনও বিস্মৃত হতেন না এবং সবসময়ই পার্টির স্বাধীন রাজনৈতিক ভূমিকাকে গুরুত্ব দিতেন।

কমরেড মণি সিংহের কমিউনিস্ট আদর্শবোধই তাকে একজন বিশুদ্ধ, অনুপম, অনুকরণীয় দেশপ্রেমিকের পরিচয় এনে দিয়েছে। সততা, ত্যাগ, আদর্শ, নিষ্ঠা, কঠোর শৃঙ্খলাবোধ, বিপ্লবী আত্মসচেতনতা, অধ্যবসায়, মানুষের প্রতি অকৃত্রিম দরদ, দায়িত্ববোধ, দেশমাতৃকার স্বার্থে আত্মস্বার্থ বিসর্জন দেওয়া, জনসেবা-দেশসেবাকে একটি সাধনা হিসেবে গ্রহণ, প্রতিদিন চিন্তা ও কাজে মানবমুক্তি ও দেশপ্রেমের অধ্যয়ন, নিত্যদিনের ছোট-বড় সব কাজে বিপ্লবী জীবনাদর্শের প্রতিফলন ঘটানোর নিরন্তর প্রয়াস- কমরেড মণি সিংহের মাঝে দৃষ্টান্ত স্থানীয়রূপে বিরাজমান ছিল। এসব অমূল্য গুণের সমাহারই তাঁকে এ দেশের রাজনীতিতে অনন্য সম্মানের স্থানে অধিষ্ঠিত করেছে।

বর্তমানে যখন অপরাজনীতি, ব্যবসায়িক রাজনীতি, সুবিধা ও হালুয়া-রুটির রাজনীতি, আত্মস্বার্থের রাজনীতি এবং ‘বাজার অর্থনীতি’র দানবীয় বিস্তারের মুখে ‘বাজার রাজনীতি’ সবকিছুকে গ্রাস করে চলেছে; তখন ‘রাজনীতি বাঁচাও’ জাতির সামনে আজ এক অগ্রগণ্য কর্তব্য। অপরাজনীতিকে পরাজিত করে ‘রাজনীতি’কে বাঁচানোর সংগ্রামে মণি সিংহ জাতির সামনে এক অজেয় শক্তিমান প্রতীক। নীতি, আদর্শ, ত্যাগ, দেশপ্রেম, প্রগতির রাজনীতির পুনরুজ্জীবনের জন্য আজ ডাক এসেছে। এ আজ মাতৃভূমির ডাক। এ ডাকে সাড়া দিতে হবে সব সৎ মানুষকে। কাণ্ডারি হয়ে পথ দেখাচ্ছেন চিরঞ্জীব কমরেড মণি সিংহ।

কমরেড মণি সিংহ, সালাম, তোমাকে সালাম!

সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ

শেষ পর্যন্ত কে হচ্ছেন আইসিসি চেয়ারম্যান?

অধিকার ডেস্ক:: ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক অভিভাবক সংস্থা আইসিসি এখন পুরোপুরি অভিভাবকহীন। চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর পদত্যাগ করেছেন আরও বেশ কিছুদিন আগে। কিন্তু এরমধ্যে এখনও পর্যন্ত...

থানায় নিয়ে যুবলীগ নেতাকে মারধর, ওসি প্রত্যাহার

অধিকার ডেস্ক:: থানায় নিয়ে এক যুবলীগ নেতাকে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় নেত্রকোনার দুর্গাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মিজানুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার...

সিলেটে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান, জঙ্গি আটক, বোমা উদ্ধার

অধিকার ডেস্ক:: জঙ্গি আস্তানার খোঁজে সিলেটের টিলাগড়ের শাপলাবাগ ও জালালাবাদ আবাসিক এলাকার পৃথক দুটি বাসায় অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দুটি বাসায় অভিযান...

রাশিয়ার কাছে ভ্যাকসিন চেয়েছে ২০ দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে রাশিয়া। ১৯৫৭ সালে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। সেটির নামের...
Shares