শনিবার, মে ৮
শীর্ষ সংবাদ

কমরেড বারীণ দত্তের ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: নানকার কৃষক বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক কমরেড বারীন দত্ত আব্দুস সালাম ছদ্দনামে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতেন। ১৯৬৮ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সধারণ সম্পাদক বারীন দত্তের(আব্দুস সালাম) জন্ম সিলেটে ১৯১১ সালের ২০ ডিসেম্বর। শৈশবেই ‘যুগান্তর’ দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে বৃটিশরাজ উৎখাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

যুগান্তর দলের সদস্য থাকার কারণে ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত তিনি কারাবন্দী ছিলেন। রাজবন্দী থাকাকালে রাজনৈতিক অধ্যয়ন ও বিপ্লবীদের সান্নিন্ধ্যে এসে সাম্যবাদী আদর্শে আকৃষ্ট হয়ে কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেন। কমরেড বারীন দত্ত ২৯ বৎসর হুলিয়া মাথায় নিয়ে কমিউনিস্ট পার্টির কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তিনি মূলত কৃষক আন্দোলনের সংগঠক ও নেতা ছিলেন। তিনি কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। বিপ্লবী নারী মুক্তিকামী ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক প্রেসিডিয়াম মেম্বার হেণা দাস তাঁর ছোট বোন।

কমরেড বারিন দত্তের অসাধারণ ধৈর্য, নীতিনিষ্ঠা, সময়নিষ্ঠা, পার্টি শৃংখলা, কমরেডদের প্রতি সর্বদা সার্বিক মনোযোগ, সাম্যবাদী আদর্শের প্রতি অবিচল আস্থা তাঁকে একজন খাঁটি কমিউনিস্ট হিসেবে পরিণত করেছিল। আদর্শবিচ্যুত প্রতিক্রিয়াশীল বিলোপবাদিরা যখন পার্টিকে ধবংস করার জন্য মরিয়া চেষ্ঠায় লিপ্ত ছিল, তখন কমরেড বারীন দত্ত নীতি-নৈতিকতাসহ পার্টিকে রক্ষায় বিশাল ভুমিকা রাখেন। কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি জনগণের মুক্তির লক্ষ্যে জীবন নিবেদিত মহান এই বিপ্লবী নেতা পার্টির সার্বক্ষণিক কর্মি হয়ে আত্মনিবেদন করার জন্য নিজ হাতে অনেক কমরেড তৈরি করেছেন। তাঁর মতো একজন খাঁটি কমিউনিস্ট আজ বড়ই প্রয়োজন।

আজীবন বিপ্লবী এই কমিউনিস্ট কমরেড বারীন দত্ত ১৯৯৩ সালের ২০ অক্টোবর তাঁর সংগ্রামী জীবনের সমাপ্তি ঘটিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান।

(তথ্য সংগ্রহ : তুহিন কান্তি )


এখানে শেয়ার বোতাম