সোমবার ‚ ২২শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ ‚ ৬ই জুলাই, ২০২০ ইং ‚ দুপুর ২:৫৭

Home বিপ্লবীদের কথা কমরেড জাহেদুল হক মিলু লাল সালাম

কমরেড জাহেদুল হক মিলু লাল সালাম

বজলুর রশীদ ফিরোজ::

কমরেড জাহেদুল হক মিলু ১৯৫৪ সালের ৭ আগস্ট কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী থানার ব্যাপারীরহাট গ্রামের ব্যাপারী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম আজিজুল হক, মাতা মরহুম বেগম জহুরা হক। ছয় ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। তিনি ১৯৭০ সালে কুড়িগ্রাম রিভারভিউ হাই স্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৭২ সালে কুড়িগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ৭৪ সালে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে আইনের ডিগ্রি অর্জন করেন। স্কুল জীবনে তিনি শিল্প-সাহিত্য, নাটক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রতি আকৃষ্ট হন, চর্চা করেন এবং বিকশিত করতে জেলা প্রগতি সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠন গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৭১-এ মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রাক্কালে পাকিস্তানি শোষণ-দুঃশাসন-নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলনে যখন দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষ প্রতিরোধে যুক্ত হয়ে গণ-আন্দোলন গণ-প্রতিরোধ গড়ে তোলে, যা একপর্যায়ে গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়, তখন একজন স্কুল পড়ুয়া ছাত্র হয়েও তাতে তিনি শামিল হন এবং অবিভক্ত ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। এই সংগ্রামে ছাত্রদের যুক্ত করার তাগিদ তিনি অনুভব করেন। ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যখন শাসকরা জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে শুরু করে তখন এর বিরুদ্ধে ১৯৭২ সালে গড়ে ওঠা ছাত্র সংগঠন জাসদ ছাত্রলীগে তিনি যোগ দেন এবং তৎকালীন কুড়িগ্রাম মহাকুমা’র প্রথম কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, পরবর্তীতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনে ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখেন। ছাত্র রাজনীতি উত্তরসময়ে তিনি জাসদ রাজনীতিতে যুক্ত হন। ওই সময় শাসক দল আওয়ামী লীগ সারা দেশে জাসদের নেতাকর্মীদের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন চালায়, হত্যা করে এবং নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেফতার করে, কারাগারে নিক্ষেপ করে। কমরেড মিলু প্রথমে ১৯৭২ সালে এবং পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালে মোট তিনবার গ্রেফতার হয়ে প্রায় চার বছর কারাভোগ করেন।

১৯৭৮-৭৯ সালে জাসদের অভ্যন্তরে নেতাকর্মীদের মধ্যে আন্দোলন-সংগঠন প্রশ্নে তীব্র মতাদর্শগত সংগ্রাম শুরু হয়। এই সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত হয়ে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী বৈজ্ঞানিক যুক্তিবুদ্ধির আলোকে সে সংগ্রাম চালিয়ে যান এবং ১৯৮০ সালে যখন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ একটি সঠিক বিপ্লবী ধারার দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে কমরেড মিলু এর সাথে প্রথম থেকেই সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

১৯৮০ সালের ৭ নভেম্বর বাসদ প্রতিষ্ঠার পর কমরেড জাহেদুল হক মিলু কুড়িগ্রাম মহাকুমার সমন্বয়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং নিষ্ঠার সাথে তা পালন করেন। আইনের ডিগ্রি নিয়েও তিনি আইন পেশায় আত্মনিয়োগ করেননি। দলের প্রয়োজনে নিজেকে একজন পেশাদার বিপ্লবী হিসেবে গড়ে তোলার সংগ্রামে নিয়োজিত হন। দলের নির্দেশে তিনি ১৯৮৭ সাল থেকে ৮৯ সাল পর্যন্ত বাসদ বগুড়া জেলা শাখার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি এরশাদের সামরিক-স্বৈরাশাসন বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে কুড়িগ্রামে দলের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে বাসদের কুড়িগ্রাম জেলা সম্মেলনে তিনি দলের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন এবং একই বছর অনুষ্ঠিত দলের কেন্দ্রীয় কনভেনশনে কেন্দ্রীয় কমিটিরও সদস্য নির্বাচিত হন। এই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি পার্টির সাংগঠনিক এলাকা রংপুর-রাজশাহী বিভাগ নিয়ে গঠিত জোন ১ ও ২ এর ইনচার্জ হিসাবে তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে আমৃত্যু পালন করেছেন। তিনি ২০০৩ সালে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, পরবর্তীতে সহ-সভাপতি ও মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। একই সাথে তিনি ‘চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র’র সভাপতির দায়িত্ব ও পালন করেন। শ্রমিক আন্দোলনের জোট ‘শ্রমিক কর্মচারী ঐক্যপরিষদ’ স্কপ-এর তিনি কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পালন করেন। আন্তর্জাতিক পরিসরে গড়ে ওঠা শ্রমিক সংগঠন ‘বিশ্ব ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন’-এর অন্তর্ভুক্ত ফেডারেশন শ্রমিক ফ্রন্টের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি WFTU বাংলাদেশ কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি কুড়িগ্রাম জেলা বার-এর সদস্য, কুড়িগ্রাম মটর শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা, কুড়িগ্রাম ডায়াবেটিক সমিতির সদস্য, কুড়িগ্রাম ‘স’ মিল’স শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা, রিকশা শ্রমিক ইউনিয়ন, হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন ও নির্মাণশ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন এবং ৮০’র দশকে স্থানীয় পত্রিকায় কলাম লিখতেন।

উল্লেখ্য ২০১৮ সালের ১২ মে রাতে সাংগঠনিক কাজে কমরেড মিলু ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম যান, ১৩ মে সকালে উলিপুর থেকে জেলা সদরে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারাত্মক আহত হন। প্রথমে তাঁকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়, সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রংপুরের ডাক্তারদের পরামর্শে ১৪ মে সেখান থেকে এয়ার এ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় এবং ১৫ মে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। পরবর্তীতে ১৭ মে আরও নিবিড় পরিচর্যা ও উন্নত চিকিৎসার্থে তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দীর্ঘ ৩২ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে ১৩ জুন ২০১৮ তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

দুর্ঘটনার পর উল্লিখিত হাসপাতালগুলোতে যখন তাঁকে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছিলো, সব কয়টি হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স, ওয়ার্ড বয়’রা অক্লান্ত পরিশ্রম করে চিকিৎসা ও সেবা দিয়েছেন। সারা দেশে আমাদের দলের নেতাকর্মী, সমর্থক-শুভানুধ্যায়ী, বন্ধুপ্রতিম রাজনৈতিক দল, তাঁর আত্মীয়-স্বজন, সহপাঠি-বন্ধু, কুড়িগ্রাম বার-এর নেতৃবৃন্দ, আইনজীবীরা তাঁদের সাধ্যমতো আর্থিকসহ সবধরনের সহযোগিতা করেছেন। যারা কমরেড জাহেদুল হক মিলু’র চিকিৎসার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করেছেন আমরা বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।


১৩ জুন বেলা ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত কমরেড মিলু’র মরদেহ তাঁর পার্টি বাসদ কার্যালয়ের সামনে রাখা হয়। সেখানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান বাসদ, কমিউনিস্ট পার্টিসহ বিভিন্ন বাম-প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল, গণসংগঠন ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে। ব্যক্তিগতভাবে অনেকে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন।

কুড়িগ্রাম শহরে ১৪ জুন তাঁর মরদেহ সর্বস্তরের জনগণ শ্রদ্ধা জানান স্থানীয় শহিদ মিনারে। শেষে মরদেহ নিয়ে শহরে শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রতিকূল আবহাওয়াতে। সেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, গণসংগঠন, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, কোর্টের বিচারক, আইনজীবী, সাংবাদিক, ডাক্তার, প্রকৌশলীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন। এত বড় শোক মিছিল কুড়িগ্রামবাসী নিকট-অতীতে দেখেননি। সাধারণ মানুষের এই অংশগ্রহণ ছিলো আন্তরিক ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ। ভোটের রাজনীতিতে তিনি সেখানে হয়তো এত জনপ্রিয় ছিলেন না, এমপি হতে পারেননি কিন্তু মানুষের মন জয় করতে না পারলে শোক মিছিলে এরকম মানুষের ঢল নামতো না। এঁরা লোক দেখানোর জন্য আসেননি, এসেছেন অন্তর থেকে শ্রদ্ধা জানাতে।

তাঁর চরিত্রের অনেকগুলো দৃষ্টান্তমূলক গুণ ছিলো। যেমন, উন্নত সংস্কৃতির অধিকারী না হলে মানুষ অন্যের সমালোচনা সহজে গ্রহণ করতে পারে না; প্রবলভাবে বুর্জোয়া ব্যক্তিবাদের শিকার হয়। কোনো মানুষই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়, তিনিও ভুলের ঊর্ধ্বে ছিলেন না। এর মধ্যে সংগ্রামের দিকটাই ছিলো তার বড়, যা আমরা তার যাপিত জীবনে দেখতে পাই। আমাদের দলের নেতাকর্মীরা যে কোনো বিষয় যখন যুক্তিসঙ্গত বা ভুল সমালোচনাও করতেন, তাঁর থেকে বয়সে ছোটরাও যখন সমালোচনা করতেন, যোগ্যতায়-সংগ্রামে কম, তারা যখন সমালোচনা করতেন তিনি তার মহত্ত্বের পরিচয় দিয়ে হাসিমুখে তা গ্রহণ করতেন। সেই সমালোচনার সত্যাসত্য বিচার করে দেখতেন, নিজের ভুল থাকলে তা সংশোধন করার চেষ্টা করতেন। ২০০৮-০৯ সালে প্রায় দেড় বছর ধরে আমাদের দলের ১৬১ জন নির্বাচিত সদস্য নিয়ে গঠিত পার্টির কেন্দ্রীয় বর্ধিত পাঠচক্রের সভায় কমরেডদের খোলামেলা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় কেন্দ্রীয় বর্ধিত ফোরামের ৪ জন সদস্যকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার যৌক্তিকতা এবং তাদের ক্রটি-বিচ্যুতি-ঘাটতি আলোচনা-পর্যালোচনা করা হয়েছিলো। ৫ বারে অনুষ্ঠিত ১৫/২০ দিন ওই সভা চলে। ৪ জন কমরেডের একজন ছিলেন জাহেদুল হক মিলু। তখন সংগঠক কমরেডদের পর্যবেক্ষণে যা মনে হয়েছে; তা ভুল-সঠিক যাই হোক তারা তা তুলে ধরেন। উত্থাপিত বক্তব্যের অনেকগুলো পর্যবেক্ষণই ভুল ছিলো। কিন্তু সেই ভুল সমালোচনাতেও কমরেড মিলু বিচলিত হননি। তিনি মনে করতেন সমালোচনা হচ্ছে বিপ্লব ও বিপ্লবী রাজনীতির প্রাণসত্ত্বা। এই প্রক্রিয়ায় তাকে সজিব ও স্বচ্ছ রাখবে। সমালোচনা-আত্মসমালোচনার মধ্যদিয়েই একজন বিপ্লবী কর্মী যথার্থ কমিউনিস্ট হিসাবে গড়ে ওঠে, টিকে থাকে।

তার আরও একটি মহৎ গুণ ছিলো বয়সে তার থেকে ছোট হলেও নেতা হিসাবে হাসি মুখে তাকে গ্রহণ করে নিতে পারতেন। উদ্দেশ্যের প্রতি অবিচল মানুষ ছিলেন। নিজেকে প্রচারে আনা, জাহির করার প্রবণতা মুক্ত ছিলেন।

২০১৩ সালে গোঁড়ামিবাদের বিরুদ্ধে যখন দলের অভ্যন্তরে প্রবল সংগ্রাম চলে, তখন দলের অভ্যন্তরে গোপনে উপদলীয় কর্মকাণ্ডও চলতে থাকে। এ বিষয় তিনিই প্রথমে দলকে অবহিত করেন। কারণ যে এলাকাগুলোতে তিনি কাজ করতেন, দলীয় কাজ দেখাশুনা করতেন সেখানে কমরেডদের সাথে তার যোগাযোগ ছিলো ঘনিষ্ঠ। বাহ্যিকভাবে তার কথাবার্তায় সাধারণ ভাব থাকলেও তিনি ছিলেন গভীর অন্তর্দৃষ্টির মানুষ। ’১৩ সালে দল থেকে বিভ্রান্ত হয়ে যখন একদল নেতাকর্মী চলে যায়, সে সময় তিনি রাজশাহী, রংপুর বিভাগের যে অঞ্চলে কাজ দেখতেন সেখানে তুলনামূলকভাবে ক্ষতির পরিমাণটা কমই হয়েছিলো। তিনি নেতাকর্মীদের দলের আদর্শের প্রভাবের সাথে ধরে রাখতে পেরেছিলেন। কমরেডদের সাথে তাঁর আদর্শের বন্ধন, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা ছিল অত্যন্ত গভীর। কমরেড মিলু’র মৃত্যুতে বাসদ ও বাম আন্দোলনের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হলো। তাঁর স্বপ্নকে ধারণ করে সংগ্রামকে এগিয়ে নেয়ার শপথেই তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো হবে। তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন, তার স্বপ্ন বেঁচে থাকবে সংগ্রাম বিকশিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। কমরেড মিলু লাল সালাম।

লেখক : সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাসদ

(সাপ্তাহিক একতাতে প্রকাশিত লেখাটি কমরেড জাহেদুল হক মিলুর দ্বিতীয় মৃত্যুবাষির্কীতে আবারও প্রকাশ করা হল)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ

করোনায় দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩২০১

অধিকার ডেস্ক:: দেশে করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মারা গেলেন দুই...

রাবির ৬৮তম জন্মদিন আজ

রাবি প্রতিনিধি:: ইতিহাস, ঐতিহ্যের ৬৭ বছর পেরিয়ে সোমবার ৬৮ বছরে পদার্পণ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) । প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামসহ...

এবারের হজে কাবা স্পর্শ করা নিষিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ এড়াতে চলতি বছরে খুবই সীমিত পরিসরে হজের অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির মাত্র এক হাজার...

স্কুল-কলেজে পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণের ঘোষণা আসতে পারে

অধিকার ডেস্ক:: করোনায় স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় সাময়িক পরীক্ষা ছাড়াই পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু কলেজে একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা...
Shares