শনিবার, মার্চ ৬
শীর্ষ সংবাদ

কক্সবাজারে শতাধিক জলদস্যু আত্মসমর্পণ করবে শনিবার

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপে আগামী শনিবার (২৩ নভেম্বর) দ্বিতীয় দফায় শতাধিক জলদস্যু আত্মসমর্পণ করবেন। এবার মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বেশ কিছু অস্ত্র কারবারি এবং সন্ত্রাসীরা আত্মসমর্পণ করার সম্ভাবনা রয়েছে। মহেশখালীর ক্রাইমজোন বলে খ্যাত কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে আত্মসমর্পণের এ আয়োজন চলছে।

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। এতে বিশেষ অতিথি থাকবেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, এমপি আশেক উল্লাহ রফিক, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক এবং জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন জানিয়েছেন, দ্বিতীয় দফায় আত্মসমর্পণে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়ে দস্যু জীবন থেকে আলোর পথে ফেরার সম্মতি জানিয়েছেন শতাধিক জলদস্যু ও অস্ত্র কারবারি। আত্মসমর্পণকারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে প্রণোদনাসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হবে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে মহেশখালী দ্বীপের দুর্ধর্ষ সাতটি দস্যু বাহিনীর প্রধানসহ তাদের সহযোগীরা পুলিশের সেফহোমে চলে এসেছেন। সেফহোমে আসা দস্যুদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

সচেতন মহলের ধারণা, দস্যুদের কারণে যুগ যুগ ধরে মহেশখালী-কুতুবদিয়াসহ পুরো উপকূলীয় এলাকায় অশান্তি লেগে আছে। গভীর সাগরে মাছ ধরা নৌকাগুলোর অনেক জেলে প্রাণ হারিয়েছে এসব দস্যুর হাতে।

এর আগে ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর র্যাবের মাধ্যমে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার ৪৩ জলদস্যু আত্মসমর্পণের পর থেকে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় অনেক জলদস্যু ও অস্ত্র কারিগর। এ কারণে উপকূলে অভিযান জোরদার করে পুলিশ। অভিযানের মুখে আবারও আত্মসমর্পণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার এসব জলদস্যু ও অস্ত্র কারিগর।


এখানে শেয়ার বোতাম