শনিবার, জানুয়ারি ১৬

এমসি ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: প্রধান আসামি সাইফুর ও অর্জুন গ্রেপ্তার

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 70
    Shares

নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান (২৮) ও ৪র্থ আসামি অর্জুন লস্কর (২৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে সাইফুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আর পৃথক এক অভিযানে আজ সকালে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা থেকে অর্জুন লস্করকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

সাইফুর রহমানকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছাতক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে। রবিবার সকালে ছাতক খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ছাতক থানার এসআই হাবিবুর রহমান পিপিএম এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।’

৪র্থ আসামি অর্জুন লস্কর

আর অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি সিলেট ভয়েসকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা ডিবির সহকারি মিডিয়া অফিসার সাইফুল আলম।

জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ধর্ষণের ঘটনার পর অর্জুন পালিয়ে যায় হবিগঞ্জের মাধবপুরে। সেখানে মনতলা এলাকায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছিল সে। প্রযুক্তির মাধ্যমে অর্জুনের অবস্থান শনাক্ত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) ওসি সাইফুল আলমের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশের একটি দল রোববার সকালে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। পরে দুপুর ১২টার দিকে তাকে সিলেট নগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

এর আগে এ ঘটনায় ছয় জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও তিন জনকে আসামি করে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শাহপরান থানায় মামলা করেছিলেন ওই গৃহবধূর স্বামী।

মামলার আসামিরা হলেন—সাইফুর রহমান, মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এদের মধ্যে চারজন ওই কলেজের শিক্ষার্থী। এছাড়া আরও তিনজনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে দেখানো হয়। তারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

ঘটনার পরই অভিযুক্তদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযানে নামে পুলিশ। শুক্রবার রাত ২টার দিকে পুলিশ অভিযুক্ত সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করে।

জানা গেছে, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বামী-স্ত্রী এমসি কলেজে বেড়াতে যান। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধূকে ধর্ষণ করে তারা।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 70
    Shares