শনিবার, এপ্রিল ১৭
শীর্ষ সংবাদ

ইরাকে ফের মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

এখানে শেয়ার বোতাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে আবারও রকেট হামলা হয়েছে। রোববার ভোরের দিকে বাগদাদের গ্রিন জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কাছে একাধিক রকেট আঘাত হানলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তাসংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক ও পশ্চিমা কূটনীতিক সূত্র এএফপিকে বলেছে, হামলার পর কূটনৈতিক স্থাপনার আশপাশে সাইরেন বেজে উঠলেও ঠিক কোথায় আঘাত হয়েছে এবং কতটি রকেট আছড়ে পড়েছে সেটি পরিষ্কার নয়।

তবে বাগদাদে নিয়োজিত এএফপির প্রতিনিধি গ্রিন জোন এলাকায় বেশ কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন। ওই হামলার পর ব্যাপক নিরাপত্তাবেষ্টিত গ্রিন জোন এলাকার আকাশে বিমান উড়তে দেখা যায়।

গত অক্টোবরের পর থেকে সর্বশেষ এই হামলা নিয়ে ইরাকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ৫ হাজার ২০০ সদস্য অথবা দূতাবাস এখন পর্যন্ত ১৯ বার আক্রান্ত হয়েছে। এসব হামলার দায় কোনও গোষ্ঠী স্বীকার না করলেও যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই ইরান সমর্থিত ইরাকের নিরাপত্তাবাহিনীর মদদপুষ্ট সামরিক নেটওয়ার্ক হাশেদ আল-শাবির দিকে আঙুল তুলে আসছে।

গত ডিসেম্বরে ইরাকের উত্তরাঞ্চলের কে-ওয়ান মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে রকেট হামলা হয়। ওই হামলায় ইরাকের সামরিক বাহিনীর এক কন্ট্রাক্টরের প্রাণহানির পর দেশটিতে নাটকীয় উত্তেজনা তৈরি হয়।

জবাবে ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে হাশেদ আল-শাবির একটি অংশের বিরুদ্ধে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর কয়েকদিন পর গত ৩ জানুয়ারি বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিদেশি সশস্ত্র শাখা কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাশেম সোলেইমানি ও তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হাশেদ আল-শাবির উপপ্রধান মাহদি আল মুহান্দিস নিহত হন।

হাশেদ আল-শাবি ওই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছে। একই সঙ্গে ইরাক থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে শিগগিরই প্রত্যাহার করে নেয়ার দাবি জানিয়েছে তারা। ইরান-সমর্থিত হাশেদের মিত্রগোষ্ঠীর নেতা হরকত আল-নুজাবা ইরাক থেকে মার্কিন সৈন্যদের বিদায় নেয়ার ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে বলে হুমকি দেয়ার কয়েক ঘণ্টা পর রোববারের এই হামলা হলো।

মার্কিন সামরিক যানের একটি ছবি টুইট করে তিনি লিখেছেন, আপনারা যা ভাবছেন, তারচেয়েও বেশি কাছে আমরা।


এখানে শেয়ার বোতাম