মঙ্গলবার, এপ্রিল ১৩
শীর্ষ সংবাদ

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে ২৫৪ কোটি টাকা নেন পি কে হালদার

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 4
    Shares

অধিকার ডেস্ক:: বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে টাকা নিয়ে ফেরত না দেয়া ১২৯ জনের মধ্যে বিদেশে পলাতক প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদার একজন। তালিকায় তার নাম উঠে এসেছে পাঁচবার। তিনি একাই পৃথক চারটি কোম্পানি ও নিজের নামে মোট ৫টিতে ২৫৩ কোটি ৯৩ লাখ ৮৯ হাজার ৭৬৩ টাকা ঋণ নিয়েছেন।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের পক্ষ থেকে দেশের উচ্চ আদালত হাইকোর্টে দেয়া প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এ বিষয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক বেঞ্চে পর্যায়ক্রমে আগামী ২৪ ও ২৫ মে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের পক্ষ থেকে আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ১৬ মার্চ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ আদেশ দেন। ওই আদেশের লিখিত অনুলিপি প্রকাশ হয়েছে বুধবার (৭ এপ্রিল)। এরপর আগামী ২৪ ও ২৫ এপ্রিল এ বিষয়ে পর্যায়ক্রমে শুনানির জন্যে আদেশে রাখা হয়েছে। আদালতে ওইদিন ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন।

পি কে হালদারসহ ১২৯ জনকে তলব

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে টাকা নিয়ে ফেরত না দেয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদেরকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ২৪ ও ২৫ মে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে পি কে হালদারসহ ১২৯ জনকে সকাল সাড়ে ১০টায় সশরীরে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

আদালতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে জমা দেয়া তথ্য অনুযায়ী, নিজের নাম ও যে কোম্পানির নামে টাকা তোলে পিকে হালদার সেগুলো হলো- নিউট্রিকুয়াল লিমিটেডের প্রশান্ত কুমার হালদার, কুলাসিন লিমিটেডের উত্তম কুমার মিস্ত্রী, গ্রীন ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সুব্রত দাস, সুপারিয়র টেক্সটাইল লিমিটেডের মো. সোলায়মান চৌধুরী, মুন ইন্টারপ্রাইজের শুনখো ব্যাপারি।

এছাড়া ৯৫টি নামে ঋণ নেয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ওকায়ামা লিমিটেডের সুব্রত দাস, পিএফআই সিকিউরিটিজ লিমিটেডের কাজী ফরিদ উদ্দিন (এফসিএ), কনিকা ইন্টারপ্রাইজের রাম প্রসাদ রায়, বর্ণালী ফেব্রিকস লিমিটেডের এম এ রশিদ, এস এ ইন্টারপ্রাইজের শাহ আলম, সামান্নাজ সুপার ওয়েল লিমিটেডের শাহাবুদ্দিন আলম, উইনটেল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের প্রশান্ত কুমার হালদার, নর্দান জুট ম্যানুফেকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের উজ্জল কুমার নন্দী, রহমান ক্যামিকেলস লিমিটেডের রাজিব শম, বেনটেক্স ইন্ডাট্রিজ লিমিটেডের এম এ বারী, ফারুক অ্যান্ড সন্স লিমিটেডের ফয়সাল মুরাদ ইব্রাহিম, মাবকো ফুডস লিমিটেডের আব্দুল মান্নান, ক্রসরোডস করপোরেশন লিমিটেডের মো. সিদ্দিকুর রহমান, ইয়াকুব সিএনজি ফিলিং লিমিটেডের ইয়াকুব আলী, ইয়াকুব সিনথেটিকের ইয়াকুব আলী, মিতা টেক্সটাইলে মুস্তাফিজুর রহমান, এম এ জিপার অ্যান্ড ইলাস্টিক ইন্ডাসট্রিজ লিমিটেডের কুদরত উল্লাহ সাদাত সেলিম, বিশ্বাস ফেব্রিকস লিমিটেড ও এমবিএ গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেডের মইনুদ্দিন বিশ্বাস, তাইওয়ান ডেভেলপার কোম্পানির সিনশেকউ, রহমান শিপ ব্রেকারস লিমিটেড ও এমএম শিপ ব্রেকারস লিমিটেডের শফিক উদ্দিন, প্রাইম সোর্সিং লিমিটেডের সাজেদ খান, এনআরবি ইন্টারপ্রাইজের রতন সরকার, ইসলাম ট্রেডিংয়ের গালিব সাত্তার, রেডিও ব্রডকাস্টিং এফএম কোম্পানি লিমিটেডের রফিকুল হক, এম আই স্টি ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের রাজেশ, নন্দন পার্ক লিমিটেডের তুষার, ওমর ফারুক অ্যান্ড কোং-এর নাসরিন সুলতানা, বিল্ডিং ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ডিজাইন লিমিটেডের নিজামুল সাইদ, গ্লোব এসেনশিয়াল লিমিটেডের ফারুক, ইভার বেস্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের মো. তোফাজ্জেল হোসেন, ওসিশ ল্যাব্রেটরিজ লিমিটেডের মো. হেলাল, ক্রিশটাল ফিশারিজ লিমিটেডের মোরশেদ মুরাদ, ডিসেন্টের নাজমুল হোসেন, কোয়ান্টাম প্রোপ্রাটিজ লিমিটেডের মাহবুব মোরশেদ, তামান্না এন্টারপ্রাইজের মো. মনিরুল ইসলাম, মিনহার ফিজারিজের বড়ুয়া, ইন্টার এক্সপোর্টস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের প্রদীব সেন, অনন্যা ফ্যাশনের মো. শাহীন, তাহসিন ট্রেড ইমপেক্সের মিজানুর রহমান, শামীম আজাদ, গ্রান্ড মটরসের মুফিদ আহমেদ চৌধুরী, কাজী আলমগীর হোসেন।

ইএন মটরস লিমিটেডের রেজাউল করিম, পুনম সিনেমার আকরাম হোসেন, হাসিবুর রহমান, মধুমতি ফাউন্ডেশন লিমিটেডের শফিকুল ইসলাম, ফাতেমা শিপিং লিমিটেডের আনোয়ারুল ইসলাম, স্মার্ট ট্রান্সপোর্টেক লিমিটেড ও উৎসব কমিউনিকেশন লিমিটেডের কে এস ফিরোজ, ডব্লিউজিএমইসি জয়েন ভেনচার লিমিটেডের ওয়াং লিন, মুসা ম্যানুফাকচারিং কোম্পানি লিমিটেডের ফরিদা ইয়াসমিন, মধুমতি ইন্টারপ্রাইজের শফিকুল ইসলাম ফিরোজ, ৬০. বিইজি স্টিল ইন্ডাট্রিজ লিমিটেডের বজলুল হক বেগ, লকউড অ্যাসোসিয়েটসের রাজু আহমেদ, এমএস ইয়েন ইলেকট্রনিক্সের জহিরুল ইসলাম, ওয়েস্টমন্ট পাওয়ার লিমিটেডের হারুন অর রশিদ, ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্ট সাপোর্ট সিস্টেম লিমিটেডের হায়দার উজ্জামান, ফেয়ার প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজের মহিউদ্দিন, রাইজিং স্টিল লিমিটেডের আমজাদ চৌধুরী, সাদমান পেপারসে বজলুল কাদের কাফি, তরঙ্গ প্লাস ট্রান্সপোর্ট লিমিটেডের তরিকুল মবিন শিমুল, ইটারনাল ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড ও ইউনিমিক্স রেডিমিক্স কনক্রিট লিমিটেডের একেএম ইমতাজুল ইসলাম, কেবল ওয়ান ইন্ডাস্ট্রিজের নাসির উদ্দিন, ফরিদা ইয়াসমিন রাহমান অ্যান্ড এসএম হাবিবুর রহমান, সেলিম আহমেদ, মিতসুমারু বাংলাদেশ লিমিটেডের এটিএম জিয়াউল হাসান, ফাইরস্ট স্টক অ্যান্ড বন্ডস লিমিটেডের সাইফুল ইসলাম, চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ, চৌধুরী প্যাকেজিং অ্যান্ড এক্সেসরিজ ইন্ড্রাসট্রিজ লিমিটেডের মো. নিজাম উদ্দিন, এফএমসি ডকইয়ার্ড লিমিটেডের ইয়াসিন চৌধুরী, জাগোয়ার ট্রান্সপোর্ট লিমিটেডের করিম, ইউনিভার্সাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলোজি কোম্পানির আতিক, খন্দকার ট্রেডিং করপোরেশনের সাইফুল কবির, কুইনির মনসুর আহমেদ, দ্য এন্টিক লিমিটেডের এটিএম জিয়াউল হাসান, জুবলি ট্রেডার্সের হোসাইন হায়দার আলী, কনটিন্যাশনাল ব্যাটারি ইন্ড্রাস্ট্রিজের লিমিটেডের জিয়াদ, প্রশান্ত কুমার হালদার, সুবিন’স এর আলমগীর, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিনানশিয়াল সার্ভিস লিমিটেড, মারিয়াম ট্রেডার্সের আশরাফুল হক, নিলুফার খান বীথি, হল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের প্রশান্ত কুমার হালদার, জেড এ অ্যাপারেলস লিমিটেড ও ডিজাইন সোর্সের সঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম, আরএম এক্সেসরিসের একেএম মনজুরুর রহমান, নিউ ইরা হাসপাতাল লিমিটেডের সুজাত হোসেন, ক্যাব ওয়ান লিমিটেডের আলী আহসান খান, মাইক্রো লিজেন্ডের আবু সালেহ, ইমার এন্ট্রারপ্রাইজের সদরুজ্জামান, মদিনা টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের সুইব সারোয়ার মনজু, সিএনজি মিডওয়ে গ্রুপের আব্দুর রইস।

সিডিউল বি’তে থাকা ২৯ জন হলেন-

এসএ এন্টারপ্রাইজের মো. শাহ আলম শেখ, ইমেক্সকোর প্রশান্ত কুমার হালদার, সিগমা ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের ইরফানউদ্দিন আহমেদ, লিবার্টি এন্ট্রারপ্রাইজ লিমিটেডের মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মিন্নাত প্লাজার ইকবাল হোসেন, প্রাইম পেট অ্যান্ড প্লাস্টিক ইন্ড্রাস্ট্রিজের নজরুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক ও পিয়ারা বেগম, কুইনির মনসুর আহমেদ, ব্রাইট ইলেকট্রিক হাউজের মাসুদুর রহমান, এসএম রেজাউল করিম অ্যান্ড ডলি রেজা, রিফাদিপ টেক্স মার্ট খুরশীদ আলম, রানি এলিজাবেথ দিয়াস, নিলুফার খান বীথি, এহসান স্টিল রি রোলিং মিলসের আবু আলম, ফাস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের মো. ইয়াসিন আলী, তাল্লু স্পিনিং মিলস লিমিটেডের আতিকুল হক মিথুন, ইপিক হোমের মিজানুর রহমান, এমএ কন্সট্রাকশন আরিফ চৌধুরী, মিনহার সী ফুডস লিমিটেডের বড়ুয়া, ইস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের মহি উদ্দিন চৌধুরী, ইএম পাওয়ার লিমিটেডের মো. আশরাফ, সিএনজি ডিস্ট্রিবিউশনের ইফতেখার হোসেন, প্লাস্টিক এক্সেসরিজ লিমিটেডের রুবেল আজিজ, ইউনিভার্সাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি কোম্পানির লিমিটেডের মো. আতিক, শাসমসি ল্যাম্পস লিমিটেডের মো. মাহমুদুল হাসান, শরফুদ্দিন চৌধুরী, জামাল মোল্লাহ, অঞ্জন কুমার রায়, মো. আশরাফুল ইসলাম।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 4
    Shares