মঙ্গলবার, মে ১৮
শীর্ষ সংবাদ

ইতিহাস গড়ে কেরালায় ক্ষমতা ধরে রাখল বামজোট

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 96
    Shares

অধিকার ডেস্ক:: দক্ষিণ ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস গড়লেন পিনারাই বিজয়ন। কেরালার বিধানসভা ভোটে তার নেতৃত্বেই ক্ষমতায় ফিরেছে সিপিএমের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ জোট। অথচ ইতিহাস বলে, প্রতি পাঁচ বছরে ক্ষমতার পালাবদলে অভ্যস্ত কেরলের রাজনীতি।

ঘোষিত ফল এবং চলমান গণনা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, ১৪০ আসনের কেরল বিধানসভায় অন্তত ৯৭টিতে জিতে ক্ষমতায় ফিরছে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নের জোট। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ পেতে যাচ্ছে ৪২টি আসন। ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে এলডিএফ ৯১টি এবং ইউডিএফ ৪৭টি আসনে জিতেছিল। তবে পরবর্তীতে ১৫ বিধায়কের দল কেরল কংগ্রেস (মণি) ইউডিএফ ছেড়ে এলডিএফ জোটে যোগ দেয়। ২০১৬ সালে একটি আসনে জিতেছিল বিজেপি। এবারও তারা একটিতে এগিয়ে রয়েছে।

মধ্য কেরলের প্রভাবশালী আঞ্চলিক দল কেরল কংগ্রেসের (মণি) জোট বদল এবং ভোটের মুখে পি সি চাকোর মতো প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতার দলত্যাগ কেরলের ‘পরিবর্তনের ঐতিহ্য’ ভেঙে দিল বলে মনে করছেন কোনো কোনো রাজনীতিবীদ। পাশাপাশি কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজয়ন সরকারের তৎপরতাও ভোটজয়ের পথ সুগম করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়া থেকে সোনা পাচারের মামলায় বিজয়ন সরকারের নাম জড়ালেও ভোটে তার প্রভাব পড়েনি।

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন কান্নুরের ধর্মাদম কেন্দ্রে জিতেছেন। কান্নুর জেলারই মট্টানুর কেন্দ্রে জিতেছেন করোনা পরিস্থিতিতে নজরকাড়া কাজ করে চমকে দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজা। অন্যদিকে, কোট্টায়ম জেলার পুথুপল্লি আসনে জয় পেয়েছেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেস নেতা উম্মেন চান্ডি।

এর আগে ১৯৮২ সালের মার্চে সাংবিধানিক সংকটের জেরে কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী কে করুণাকরণের মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়ে কেরলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছিল। কিন্তু ওই বছর বিধানসভা ভোটে জিতে ক্ষমতায় ফিরেছিলেন করুণাকরণ। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকে ভোটে জিতে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের ঘটনা ঘটেনি কেরলের রাজনীতিতে। ঘটনাচক্রে, রাহুল গান্ধী ওই রাজ্যের ওয়ায়নাড় লোকসভা কেন্দ্র থেকে জেতার পরেই ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের ইতিহাস গড়ল বাম জোট।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 96
    Shares