বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৩

আ.লীগের সম্মেলনে যায়নি ঐক্যফ্রন্ট

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ২১তম সম্মেলনে যোগ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ফ্রন্টের প্রধান শরিক গণফোরাম নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরীর বরাত দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সম্মেলনে না যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সুব্রত চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়েছে। সরকার রাষ্ট্রপরিচালনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচনের নামে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এ কারণে আমরা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তিনি বলেন, আমাদের নেতা ড. কামাল হোসেন বিদেশ থেকে ফিরেছেন। সকালে আমরা বৈঠক করেছি, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবও ছিলেন। আমাদের কাছে বলেছেন, তারাও যাবেন না।

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যে গণতন্ত্র হরণের অভিযোগ এনেছেন, আপনারা তাদের সম্মেলনে গেলে কী গণতন্ত্রের জন্য আপনাদের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হতো কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে সুব্রত চৌধুরী বলেন, এজন্যই তো আমরা সংলাপে গিয়েছিলাম। অপসংস্কৃতি থেকে রাজনীতিকে বের করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার সম্পূর্ণ প্রতারণা করেছে।

অন্যদিকে, শুক্রবার দুপুরে এক সভায় অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগকে স্বাগত জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, কাউন্সিল মানে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দলের মধ্যে থাকতে হবে, দেশের মধ্যে থাকতে হবে। আপনি বাংলাদেশের মানুষের সকল গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দলের কাউন্সিল করছেন। সমস্ত মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়ে, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে, দেশের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করে দলের কাউন্সিল করছেন। আমি আশা করি, তারা আজকের কাউন্সিলে এ দেশের গণতন্ত্র কীভাবে ফিরে আসবে, বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার কীভাবে ফিরে আসবে, তারা এ কাউন্সিলে সেই ঘোষণা করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

খসরু বলেন, আজ তারা (আওয়ামী লীগ) সম্মেলন করছে। তাদের কাউন্সিল করছে। আওয়ামী লীগ তাদের দলের কাউন্সিল করবে, আমরা তাদের দল হিসেবে স্বাগত জানাই। কিন্তু কিসের জন্য কাউন্সিল, কার কাউন্সিল? যেখানে বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে জোর করে ক্ষমতা দখল করে জনগণকে বাইরে রেখে অব্যাহতভাবে দেশবিরোধী, গণবিরোধী সব কাজ করে দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের টাকা লুটপাট করে দিনের পর দিন ক্ষমতা চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানে একটি দল কাউন্সিল করছে তাদের।


এখানে শেয়ার বোতাম