শুক্রবার, জানুয়ারি ২২

আয়তন বাড়লেও বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেনি : বাসদ

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক:: বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান আজ ১১ জুন ২০২০ জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পর সংবাদপত্রে দেয়া এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, চলতি অর্থবছরের তুলনায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বাজেট ঘোষিত হলেও সে অনুযায়ী কৃষি, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা, গবেষণা, কর্মসংস্থান খাতে বরাদ্দ টাকার অংকে সামান্য বাড়লেও আনুপাতিক হারে মোটেও বাড়েনি।

কমরেড খালেকুজ্জামান বলেন, করোনা দুর্যোগে আক্রান্ত খাতগুলো আলোচনায় যতটা এসেছে বাজেটে ততটা মনোযোগ পায়নি। বাস্তবতাকে বিবেচনায় না নিয়ে প্রবৃদ্ধি বেশি দেখানোর প্রবণতা বাজেটের বাস্তবায়নকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। উচ্চ আয়ের ক্ষেত্রে গত বাজেটে ৩০ শতাংশ কর ধার্য করা ছিল এবার সেটা কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে অথচ মাসে ২৫ হাজার টাকার উপর আয় করলে তাঁকে করের আওতায় আনা হয়েছে। ভ্যাটের আওতা বাড়ানো হয়েছে তাতে সাধারণ মানুষ পরোক্ষ কর দিতে বাধ্য হবেন কিন্তু যারা সৎ-অসৎ নানা উপায়ে বিপুল সম্পদ ও প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে কর বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়া হয় নি বরং উৎসে কর, কর্পোরেট করসহ নানা ক্ষেত্রে রেয়াত দেয়ার কথা বলা হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশে ধনী দরিদ্রের ব্যবধান বাড়ছে, করোনা দুর্যোগ সাধারণ মানুষের আয় কমিয়ে ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে, কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হচ্ছে না, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে না বরং প্রবাসীদের ফিরে আসার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাজেটে ফিরে আসা এই প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানের কোন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয় নি। বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে আগের চেয়ে আরো নমনীয় শর্তে। কিন্তু এ যাবৎ ১৬ বার কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়ার পরও মাত্র ১৪ হাজার কোটি টাকা সাদা হয়েছে, যার মধ্যে ৯ হাজার কোটি টাকাই ওয়ান এলেভেনের তত্ত্ববধায়ক সরকারের আমলে। ফলে কালো টাকা সাদা করার সুযোগে দুর্নীতি আরো বাড়বে।


এখানে শেয়ার বোতাম