বুধবার, জানুয়ারি ২৭

‘আমেরিকার আবিষ্কারক’ কলম্বাসের ভাস্কর্য ভাঙছে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনকারীরা

এখানে শেয়ার বোতাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: এবার আমেরিকার আবিষ্কারক কলম্বাসের ওপর খেপেছে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনকারীরা। আমেরিকার বোস্টন, মিয়ামি ও ভার্জেনিয়ায় ক্রিস্টোফার কলম্বাসের ভাস্কর্য ভেঙে ফেলা হয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকায় ক্ষোভের মুখে পড়েছে ঔপনিবেশিক আমলের দাস ব্যবসায়ীরা। তাদের মূর্তি, স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

১৪৯২ সালে আদি আমেরিকানদের সঙ্গে ইউরোপীয়দের প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল ইতালীয় অভিযাত্রী ক্রিস্টোফার কলম্বাসের মাধ্যমে।

এবার বিশ্বজুড়ে চলমান বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনকারীদের ক্ষোভে পড়েছে কলম্বাসের ভাষ্কর্য। বৃহস্পতিবার মিনেসোটা রাজ্যের রাজধানী সেইন্ট পলে ১০ ফুট উচ্চতার ব্রোঞ্জের ভাস্কর্যটি দড়ি দিয়ে টেনে এর গ্রানাইটের ভিত্তি থেকে ফেলে দেন স্থানীয় আদিবাসী আন্দোলনকারীরা।

এর আগে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার রিচমন্ডে কলম্বাসের একটি স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুর করে পাশের হ্রদে ফেলে দেয়া হয়। বুধবার রাতে বোস্টনে কলম্বাসের আরেকটি ভাস্কর্যের মাথা খুলে ভেঙে ফেলা হয়। এই সময় বিক্ষোভকারীরা বলেন, আবারও প্রথম থেকে শুরু করতে হবে।

কলম্বাস ছাড়াও স্থানীয় সময় বুধবার রাতে রিচমল্ডে ঔপনিবেশিক প্রেসিডেন্ট জেফাসন ডেভিসের একটি মূর্তি ভেঙে ফেলেছে আন্দোলনকারীরা।

ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি মার্কিন কংগ্রেস ভবন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধকালীন কনফেডারেট নেতা ও সৈন্যদের ১১টি ভাস্কর্য সরিয়ে নেওয়ার জন্য কংগ্রেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

কেবল যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, ‘ব্ল্যাক লাইভস মেটার’ আন্দোলনের পথ ধরে ঔপনিবেশিক আমলের নিপীড়কদের প্রত্যাখ্যান করার এই ঢেউ লেগেছে ইউরোপেও। ইংল্যান্ডের ব্রিস্টল শহরে সপ্তদশ শতকের দাস ব্যবসায়ী এডওয়ার্ড কোলস্টোনের স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে সাগরে ফেলে দেয় বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভকারীরা। লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস থেকে ব্রিটিশ দাস ব্যবসায়ী রবার্ট মিলিগানের ভাস্কর্য সরানো হয়।

বেলজিয়ামের সাবেক রাজা দ্বিতীয় লিওপোল্ডের ভাষ্কর্যে রঙ লাগিয়ে আগুন দেয় বিক্ষোভকারীরা।


এখানে শেয়ার বোতাম