বুধবার, মে ১২
শীর্ষ সংবাদ

আবরার হত্যাকাণ্ড : অমিত-তোহা পাঁচ দিনের রিমান্ডে

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক :: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি অমিত সাহা ও হোসেন মোহাম্মদ তোহাকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ শুক্রবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এই আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অমিত ও তোহাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে বলেন, আবরার ফাহাদকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। শেরেবাংলা হলের যে কক্ষে আবরারকে নির্যাতন করা হয়, সেটি অমিত সাহার কক্ষ। অপর আসামি তোহা আবরারকে ডেকে ওই কক্ষে নিয়ে আসেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তার করার জন্য এই দুই আসামিকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।

অপরদিকে হোসেন মোহাম্মদ তোহার আইনজীবী আদালতের কাছে দাবি করেন, আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তোহা জড়িত নন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত অমিত ও তোহাকে পাঁচ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

এর আগে আজ শুক্রবার ভোর চারটার দিকে এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি মাজেদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ। সিলেটের শাহ কিরন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা-দক্ষিণ বিভাগের ধানমন্ডি জোনাল টিম। ডিএমপির গণমাধ্যম শাখা থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

আবরার ফাহাদ বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭ তম ব্যাচ) ছাত্র ছিলেন। শেরেবাংলা হলের নিচতলায় ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি। গত রোববার রাতে তাঁকে নিজ কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। এখন পর্যন্ত আবরার হত্যায় ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ জনের নাম মামলার এজাহারে রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনিক সরকার, ক্রীড়া সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম ওরফে জিয়ন, উপসমাজসেবা সম্পাদক ইফতি মোশাররফ, আইনবিষয়ক উপসম্পাদক অমিত সাহা, ছাত্রলীগের সদস্য মুনতাসির আল জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম ওরফে তানভীর, মোহাজিদুর রহমান, শামসুল আরেফিন, মনিরুজ্জামান, আকাশ হোসেন, মিজানুর রহমান (আবরারের রুমমেট), হোসেন মোহাম্মদ তোহা ও মো. মাজেদুল ইসলাম।


এখানে শেয়ার বোতাম