বুধবার, নভেম্বর ২৫

আধাঘন্টার পথ আড়াই ঘন্টায়!

এখানে শেয়ার বোতাম

অধিকার ডেস্ক:: করোনা সংক্রমণ উপেক্ষা করে ইদুল আজহা উদযাপন করতে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী মানুষের ঢল শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার রাত থেকে। ফলে গভীর রাত থেকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের গোলচত্বর থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত প্রায় ২৩ কিলোমিটার মহাসড়কে কখনও ধীরগতিতে আবার কথনও থেমে থেমে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

তবে জুমার নামাজের পর বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত গাড়ির তেমন চাপ ছিল না। এরপর বিকেল ৪টা থেকে আবার যানজট ও ধীরগতিতে চলতে থাকে। গতি কমিয়ে চলায় গন্তব্যে পৌঁছাতে ২ থেকে আড়াই ঘন্টা সময় বেশি লাগছে।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম মহাসড়কের কড্ডার মোড় এলাকার অটোরিকশা-অটোটেম্পু মালিক সমিতির সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ জানান, যাত্রীবাহী বাসের পাশাপাশি মালবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন পরিবহনে যাত্রীরা বাড়ি ফেরায় মুলিবাড়ি মোড়, কড্ডার মোড়, ঝাঐল ওভার ব্রিজ, কোনাবাড়ি ও নলকা ব্রীজ এলাকায় যানজট বেশি শুরু হয়েছে। এ ছাড়া বারবার বঙ্গবন্ধু সেতুর টোল প্লাজা বন্ধ থাকায় এ যানজটের তীব্রতা বেড়েছে। হাটিকুমরুল গোলচত্বর হয়ে বগুড়া রোডের চান্দাইকোণা পর্যন্ত পৌঁছেছে। বঙ্গবন্ধু সেতুর গোলচত্বর থেকেই থেমে থেমে যানজট ও মাঝে মাঝে ধীরগতিতে যানবহণ চলছে। ফলে মাত্র আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে প্রায় ২ থেকে আড়াই ঘন্টা সময় লাগছে।

এ বিষয়ে সয়দাবাদ এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী রাকিবুল ইসলাম বলেন, টাঙ্গাইলের করোটিয়া থেকে শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপাড় পর্যন্ত এ যানজট আরো বেশি। সেতুর পশ্চিম পাড়ে এসে এ যানজট কিছুটা কম থাকলেও যাত্রী দূর্ভোগ কমেনি। ফলে ঘরে ফেরা মানুষকে দিনভর প্রচণ্ড গরমে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে রংপুরের যাত্রী সেলিম হোসেন জানান, এ যানজটে ২ ঘণ্টা ধরে আটকা পড়ে আছি। কখন বাড়ি পৌঁছাব জানি না। ফলে যানজটে আটকা পড়ে থাকায় বাড়ির লোকজন চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম থানার ওসি মো.মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাত থেকে গাড়ির চাপ বাড়লেও তেমন যানজট নেই। মাঝে মাঝে কয়েক মিনিট গাড়ির গতি কমলেও তাতে তেমন কোন সমস্যা হচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী শত শত যানবাহন এক যোগে সেতু পার হয়ে দ্রুত গন্তব্যে যাওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু করায় ও টাঙ্গাইল অংশে একটি গাড়ি বিকল হওয়ায় ওই অংশে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবে এখন এ যানজট অনেকাংশে কমে গেছে।

এ বিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি নূরনবী প্রধান বলেন, নলকা থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত যানজট নেই বললেই চলে।


এখানে শেয়ার বোতাম