মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১

অবিলম্বে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালুর দাবীতে খুলনায় বিশাল শ্রমিক সমাবেশ

এখানে শেয়ার বোতাম
  • 1.1K
    Shares

খুলনা প্রতিনিধি:: রাষ্ট্রায়ত্ব সকল পাটকল অবিলম্বে চালু, দুর্নীতি-লুটপাট-ভুলনীতি বন্ধ ও আধুনিকায়ন করা এবং অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরতসহ শ্রমিকদের সকল পাওনা অবিলম্বে পরিশোধসহ ১৪ দফা দাবিতে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের উদ্যোগে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪:৩০টায় খুলনার খালিশপুর পিপলস গোল চত্বরে বিশাল সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সংহতি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহ্বায়ক এড. কুদরত-ই-খুদা এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব এস এ রশীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক ওবাম জোট ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ খুলনা জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নাণ্টু, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সমন্বয়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ নেতা আনিসুর রহমান মিঠু-এর যৌথ পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও খুলনা নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এড. আ ফ ম মহসিন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ এর কেন্দ্রীয় সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন, বিশিষ্ট আইনজীবী ও নাগরিক নেতা এড. মঞ্জুরুল আলম, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ-এর কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি ডাঃ মনোজ দাশ, সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি খুলনা জেলা শাখার আহ্বায়ক আয়কর উপদেষ্টা এস এম শাহনওয়াজ আলী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি’র কেন্দ্রীয় পলিটব্যুরোর সদস্য আকবর খান, সাংবাদিক ও গবেষক গৌরাঙ্গ নন্দী, খুলনা উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, সিপিবি’র মহানগর সভাপতি ও টিইউসি খুলনা জেলা সভাপতি এইচ এম শাহাদাৎ, পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ইষ্টার্ণ জুট মিল সিবিএ সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক খান।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নারী সেল, খুলনার আহ্বায়ক সুতপা বেদজ্ঞ, আইনজীবী ও সাংবাদিক ড. এড. জাকির হোসেন, কৃষি ও পরিবেশ রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইকবাল হোসেন, বটিয়াঘাটা উপজেলা’র ভাইস-চেয়ারম্যান ও খুলনা জেলা কৃষক সমিতি’র সভাপতি নিতাই গাইন, ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী) নেতা গাজী নওশের আলী, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের খুলনা জেলা সভাপতি মনিরুল হক বাচ্চু, ইউসিএলবি নেতা মোস্তফা খারিদ খসরু, কাজী দেলোয়ার হোসেন, টিইউসি নেতা গাজী আফজাল, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মিজানুর রহমান বাবু, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপা’র খুলনা নির্বাহী সদস্য আফজাল হোসেন রাজু, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম খুলনা জেলা আহ্বায়ক কোহিনুর আক্তার কণা, বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন, খালিশপুর ব্যবসায়ী মালিক সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, আবুয়ান ৭১-এর সভাপতি আব্দুল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা সভাপতি এড. নিত্যানন্দ ঢালী, সিপিবি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নিতাই পাল, তোফাজ্জেল হোসেন, গণসংহতি আন্দোলন খুলনা জেলা সদস্য আল আমিন শেখ, যুব ইউনিয়ন নেতা সৈয়দরিয়াসাত আলী রিয়াজ, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন খুলনা বিএল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ দে, ছাত্র নেতা জয় দাশ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট খুলনা জেলা সভাপতি সনজিত ম-ল, শ্রমিক নেতা অলিয়ার রহমান, নূরুল ইসলাম, সামশেদ আলম শমশের, আব্দুর রাজ্জাক তালুকদার, সুমন শেখ, ইলিয়াস হোসেন, জসিম গাজী, রাজ্জাক গাজী, হামজা গাজী, আব্দুর রশীদ, জিল্লুর রহমান, মোহাম্মদ আলী, জাকির হোসেন, নজরুল ইসলাম মল্লিক, মেহেদী হাসান বিল্লাল, ফজলু মোল্লা, মনির হোসেন, আবুল হাসেম, একলাস মোল্লা, রামপ্রসাদ রায়, জসিম গাজী প্রমুখ।

 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকার রাষ্ট্রায়ত্ব ২৫টি পাটকল বন্ধ করে দিয়ে স্থায়ী, বদলী ও দৈনিক ভিত্তিক প্রায় ৭০ হাজার শ্রমিককে বেকার করে তাদের পরিবারকে অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়েছে। যে দুর্নীতি ও ভুলনীতির কারণে এসব মিলগুলো লোকসান হয়েছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে তার দায় শ্রমিকদের উপর চাপিয়ে দিয়ে প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ দেশীয় লুটপাটকারী ও পাটপণ্যের বাজার ভারতের হাতে তুলে দিতেই সরকার পাটকলগুলো বন্ধ করেছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনোভাবেই এসব মিল পিপিপি, লীজ বা ব্যক্তিমালিকানায় দেয়া চলবে না। শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ)-এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী মাত্র ১২শ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন করতে হবে। একই সাথে অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরতসহ সকল শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা এককালীন পরিশোধ করতে হবে।

অবিলম্বে দাবি মেনে না নিলে আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, দৌলতপুর শাখার শিল্পীরা গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন।


এখানে শেয়ার বোতাম
  • 1.1K
    Shares